গ্রাহকের কাছ থেকে বিভিন্ন ভাবে জরিমানা আদায় করে গত পাঁচ বছরে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলি প্রায় ১৭,২৫১ কোটি টাকা আদায় করেছে। যা চোখ কপালে তোলার মতো তথ্য বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। সোমবার তৃণমূল সাংসদ মালা রায়ের এক প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানিয়েছেন অর্থ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধরী।
পঙ্কজ জানান, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ন্যূনতম ব্যালেন্স না রাখা, নিখরচার সীমার বাইরে এটিএমে লেনদেন এবং মেসেজ মারফত সতর্ক করার মতো বিবিধ ক্ষেত্রে এই জরিমানা আদায় করে প্রতিটি বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ক। যদিও রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে এই নিয়ে কোনও সামগ্রিক তথ্য নেই। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলি যে তথ্য দিয়েছে কেন্দ্রকে, তাতে দেখা যাচ্ছে গত ৫টি অর্থবর্ষে ন্যূনতম ব্যালেন্স অ্যাকাউন্টে না রাখার কারণে গ্রাহকদের থেকে মোট ১১,৫৩৬ কোটি টাকা জরিমানা আদায় করা হচ্ছে। মেসেজ অ্যালার্ট বা সতর্কীকরণ খাতে ব্যাঙ্কগুলি প্রায় ৫৭১৬ কোটি টাকা আদায় করেছে। যদিও এটিএম ব্যবহারের চার্জ বাবদ ব্যাঙ্কগুলির নিজের পকেট থেকে খরচ হয়েছে প্রায় ২৬১৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত পাঁচটি অর্থবর্ষে বিভিন্ন খাতের জরিমানা বাবদ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির নিট আয় হয়েছে ১৪,৬৩৫ কোটি টাকার মতো।
একই সঙ্গে পঙ্কজ দাবি করেছেন, গ্রাহকদের এই ধরনের জরিমানার হাত থেকে বাঁচাতে জিরো ব্যালেন্স অ্যাকাউন্ট, লেনদেনের সীমা বৃদ্ধির মতো একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের সঙ্গে যৌথ ভাবে কেন্দ্র সব সময় সতর্ক নজর রাখছে যাতে গ্রাহকদের কাছ থেকে অযথা জরিমানা কাটা না হয়।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)