গ্যালাক্সি নোট-৪ ৫৮,৩০০ টাকায়
সংবাদ সংস্থা • নয়াদিল্লি
দেওয়ালির আগে ভারতের বাজার ধরার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে নামল অ্যাপল ও স্যামসাং। এক দিকে অ্যাপলের আই ফোন ৬ এবং ৬-প্লাস। শুক্রবার থেকেই যেগুলির বিক্রি শুরু হবে এ দেশে। অন্য দিকে স্যামসাঙের গ্যালাক্সি নোট-৪ ওই একই সময়ে কিনতে পাওয়া যাবে বাজারে। মঙ্গলবার ভারতে গ্যালাক্সি নোট-৪ স্মার্ট ফোনটি এনেছে স্যামসাং। দাম প্রায় ৫৮,৩০০ টাকা। দক্ষিণ কোরীয় সংস্থাটির দাবি, এ দেশে এখনও পর্যন্ত এটিই তাদের সব থেকে দামি ফোন। যা অ্যান্ড্রয়েড ৪.৪ কিটক্যাট প্রযুক্তি চালিত। বাংলা-সহ ১৪টি আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহারের সুবিধাও আছে এতে। আর এক দক্ষিণ কোরীয় সংস্থা এলজি ভারতে আনল স্মার্ট ফোন এল-বেলো। অ্যান্ড্রয়েড কিটক্যাট চালিত ফোনটির দাম ১৮,৫০০ টাকা।
নেট সংস্থার লেনদেন নিয়ে ইডি তদন্ত
সংবাদ সংস্থা • নয়াদিল্লি
দেশে নেট মারফত কেনাকাটার ব্যবসায় প্রত্যক্ষ বিদেশি লগ্নির নিয়ম ভাঙা নিয়ে তাদের তদন্ত জারি আছে বলে মঙ্গলবার জানাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এ দিন সংবাদ মাধ্যমের একাংশে খবর ছড়ায়, গত ৬ অক্টোবর ফ্লিপকার্ট যে বিপুল ছাড়ে পণ্য বিক্রি করেছিল, তা নিয়ে তদন্তে নামছে ইডি। এটি জল্পনা বলে উড়িয়ে দিয়েছে ইডি। বিধি অনুযায়ী, দেশীয় ই-কমার্স সংস্থা সরাসরি গ্রাহককে পণ্য বেচলে প্রত্যক্ষ বিদেশি লগ্নির অনুমতি নেই। কিন্তু দু’টি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে ওই লগ্নি ১০০% হতে পারে। নেট সংস্থা এই নিয়ম ভাঙছে কি না, সেটাই খতিয়ে দেখছে ইডি।
সোনা আমদানির চাপে ঘাটতি দ্বিগুণ
সংবাদ সংস্থা • নয়াদিল্লি
ভারতের রফতানি সেপ্টেম্বরে বাড়লেও সোনা আমদানির বহর বাড়ায় দ্বিগুণ হল বৈদেশিক বাণিজ্যে ঘাটতি। মঙ্গলবার প্রকাশিত কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান মাফিক সেপ্টেম্বরে রফতানি ২.৭৩% বেড়ে ছুঁয়েছে ২৮৯০ কোটি ডলার। অগস্টে তার বৃদ্ধির হার কমেছিল ২.৩৫%। পাশাপাশি, সেপ্টেম্বরে সোনা আমদানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭৫ কোটি ডলারে। গত বছর একই সময়ে তা ছিল ৬৮.২৫ কোটি ডলার। সব মিলিয়ে আমদানি ২৬% বেড়ে হয়েছে ৪৩১৫ কোটি ডলার। ফলে বাণিজ্য ঘাটতি দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে সেপ্টেম্বরে ছুঁয়েছে ১৪২০ কোটি ডলার। ২০১৩-র সেপ্টেম্বরে তা ছিল ৬১২ কোটি ডলার। আর গত অগস্টে ১০৮৪ কোটি ডলার। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের হিসাব ধরলে রফতানি ৬.৪৭% বেড়ে হয়েছে ১৬,৩৭০ কোটি ডলার। আমদানি ১.৫৭% বেড়ে হয়েছে ২৩,৪০০ কোটি ডলার। চলতি ২০১৪-’১৫ অর্থবর্ষের এই প্রথম ছ’মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ৭০৩৯ কোটি ডলার।
পণ্য পরিবহণে নজির কলকাতা বন্দরের
নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা
এক মাসে ৫০,০৯২টি কন্টেনার (বাক্স-বন্দি পণ্য) আমদানি-রফতানি করে রেকর্ড করলেন কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দরের চেয়ারম্যান রাজপাল সিংহ কাহালোঁ জানান, ২০১৩-র অগস্টে ৪৪,৮৭৩টি কন্টেনার ওঠানো-নামানো হয়েছিল। এ বার সেপ্টেম্বরে সেই রেকর্ড ভাঙল। চেয়ারম্যান জানান, এপ্রিল-সেপ্টেম্বরে কলকাতা-হলদিয়া বন্দর দিয়ে ৩ লক্ষ ১৪ হাজারটি কন্টেনার ওঠা-নামা করেছে। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত বছরই কলকাতা বন্দর ‘কন্টেনার হ্যান্ডলিং পোর্ট অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পেয়েছে। পিএসএ ইন্টারন্যাশনালের অধীন ভারত কলকাতা কন্টেনার টার্মিনালও বন্দরে ডিসেম্বর থেকে কন্টেনার ওঠানো-নামানো শুরু করবে।
ডব্লিউটিও-য় হার
বার্ড-ফ্লু-র পরিপ্রেক্ষিতে আমেরিকা থেকে পোল্ট্রিজাত পণ্য আমদানিতে বিধিনিষেধ জারি করে ভারত। তবে তা নিয়ে ডব্লিউটিও-র দায়ের করা মামলায় হার হয়েছে ভারতের। ডব্লিউটিও-র বিবাদ নিষ্পত্তি সংক্রান্ত কমিটি জানিয়েছে, ভারতের আনা বিধিনিষেধ অবাধ বিশ্ব বাণিজ্যের শর্তের পরিপন্থী। তবে এর বিরুদ্ধে দু’মাসের মধ্যে আবেদন জানাতে পারবে ভারত।