জেলা স্তরে ব্যাঙ্কের ঋণ বণ্টন খতিয়ে দেখতে আর্জি অমিতের
নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা
রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যাঙ্কগুলি কত টাকার আমানত সংগ্রহ করছে এবং তার কতটা ঋণ হিসাবে সেখানে বণ্টন করছে, সেই পরিমাণ খতিয়ে দেখার জন্য নাবার্ডকে অনুরোধ করলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। এ ব্যাপারে রাজ্যের সাতটি জেলায় সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে যে, সংগৃহীত আমানতের মাত্র ৪০% ঋণ হিসাবে বণ্টন করেছে ব্যাঙ্কগুলি। সম্প্রতি নাবার্ডের এক অনুষ্ঠানে এসে অমিতবাবু বলেন, “গড় হিসাবে আমানতের পরিপ্রেক্ষিতে ঋণের অনুপাত অর্থাৎ ক্রেডিট ডিপজিট রেশিও (সিডিআর) এই রাজ্যে সারা দেশের তুলনায় অনেক কম। দেশে সিডিআর যেখানে গড়ে ৭৮%, সেখানে রাজ্যে তা ৬৭%। এ দিন বিভিন্ন ব্যাঙ্কের কর্তাদের কাছে অমিতবাবুর দাবি, “চলতি আর্থিক বছরেই রাজ্যে সিডিআর কমপক্ষে ৭০ শতাংশে নিয়ে যেতে হবে। এ ব্যাপারে আপস করার কোনও জায়গা নেই।” এ দিকে, ২০১৫-’১৬ অর্থবর্ষে রাজ্যের গ্রামীণ ক্ষেত্রে কত টাকা ঋণ হিসাবে বণ্টন করা হবে, তার লক্ষ্যমাত্রাও ঘোষণা করেছে নাবার্ড। এই উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নাবার্ডের চিফ জেনারেল ম্যানেজার টি এস রাজি গেইন জানান, “২০১৫-’১৬ অর্থবর্ষে গ্রামাঞ্চলে শস্যঋণ-সহ ৭২ হাজার ৬৬৮ কোটি ৪৩ লক্ষ টাকা ঋণ দেওয়ার লক্ষ্য স্থির হয়েছে। গত বছরের থেকে ১৮.৭৭ কোটি বেশি।” ইউনাইটেড ব্যাঙ্কের জেনারেল ম্যানেজার এবং স্টেট লেভেল ব্যাঙ্কার্স কমিটির আহ্বায়ক মানস ধর বলেন, “রাজ্যে ছোট ও মাঝারি শিল্পে ঋণ দেওয়ার বিষয়টি অনেকটাই গতি হারিয়েছে। বড় শিল্পগুলির হাল খারাপ হওয়ার ফলেই এটা ঘটেছে। কারণ, প্রধানত বড় শিল্পগুলির জন্যই নানা ধরনের পণ্য তৈরি করে থাকে ওই সব ছোট ও মাঝারি শিল্প। তাই বড়গুলির অগ্রগতি না-হলে ছোট ও মাঝারি শিল্পের বিকাশও ব্যাহত হয়।”
পুরনো নোট বদল করা যাবে জুন মাস পর্যন্ত
সংবাদ সংস্থা • মুম্বই
গত ২০০৫ সালের আগে ছাপা নোট ব্যবহার করা যাবে ২০১৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এর আগে গত মার্চে সাধারণ মানুষের হাতে থেকে যাওয়া এ ধরনের পুরনো নোট আগামী ১ জানুয়ারির মধ্যে বদলে নেওয়ার জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। মঙ্গলবার ওই মেয়াদই আরও ছ’মাস বাড়িয়ে দিল শীর্ষ ব্যাঙ্ক। ৫০০ টাকা, ১,০০০ টাকা সমেত সব ধরনের নোটই এর আওতায় পড়ছে। শীর্ষ ব্যাঙ্ক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সাধারণ মানুষ পুুরনো নোট তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করে দিতে পারবেন কিংবা সুবিধা মতো কোনও ব্যাঙ্কের শাখায় গিয়ে তার পরিবর্তে নতুন নোট নিতে পারবেন। এর জন্য ফি লাগবে না। প্রসঙ্গত, জাল নোট ঠেকাতেই এই ব্যবস্থা নিচ্ছে শীর্ষ ব্যাঙ্ক। কারণ, ২০০৫ সালের আগের নোটে সেটি কোন বছরে ছাপা হয়েছে, তার উল্লেখ উল্টো পিঠে থাকত না।
শহরে শিল্প মেলা শুরু ২৬ ডিসেম্বর
নিজস্ব সংবাদদাতা • কলকাতা
আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে কলকাতায় শুরু হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইন্ডিয়া ট্রেড ফেয়ার, ২০১৪। ইন্ডিয়া ট্রেড প্রমোশন অর্গানাইজেশনের সঙ্গে যৌথ ভাবে ওই শিল্প মেলার আয়োজন করছে বেঙ্গল ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (বিএনসিসিআই)। মিলন মেলা প্রাঙ্গণে মেলার উদ্বোধন করবেন রাজ্যের নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। চলবে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। মেলা কমিটির চেয়ারম্যান এবং বিএনসিসিআইয়ের সভাপতি অরুণ কুমার সরকার জানান, এ বার থাকবে ৬০০টি সংস্থা। অংশ নেবে বাংলাদেশ, পাকিস্তন, চিন, নেপাল, তুরস্ক-সহ ১২টি দেশ। বাংলাদেশ থকে ৮০ জনের শিল্প প্রতিনিধিদল আসছে। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি সংস্থাগুলি যাতে বেশি করে অংশ নেয়, সেটাই আয়োজকদের লক্ষ্য বলে জানান অরুণবাবু। বিএনসিসিআইয়ের ২৭তম ওই শিল্প মেলায় খোলাধূলাও সামিল হয়েছে। মেলা কমিটির অন্যতম আহ্বায়ক দেবাশিস দত্ত বলেন, “ভারতে স্পোর্টস এখন নিছক বিনোদন নয়। তা কার্যত একটি শিল্প। তাই মেলায় এই বিষয়টিও রেখেছি। খেলা নিয়ে বিতর্কসভার আয়োজনও করা হয়েছে। যার বিষয়বস্তু, ‘বিনোদন হিসাবেই খেলাধূলার মান সব থেকে ভাল ছিল।’
মুনাফা তোলার জেরে পড়ল সূচক
সংবাদ সংস্থা • মুম্বই
গত তিন দিনে প্রায় ১,০০০ পয়েন্ট উঠেছিল সেনসেক্স। ফলে মঙ্গলবার চাঙ্গা বাজারে হাতের শেয়ার বেচে মুনাফা ঘরে তোলায় মেতে উঠলেন লগ্নিকারীরা। মূলত তারই জেরে সূচক নামল প্রায় ১৯৫ পয়েন্ট। এবং বাজার বন্ধের সময় থিতু হল ২৭,৫০৬.৪৬ অঙ্কে। ডলারের সাপেক্ষে টাকার দামও এ দিন ৩ পয়সা কমেছে। এক ডলার দাঁড়িয়েছে ৬৩.২৮ টাকায়। শেয়ার বাজার পড়ার জন্য অবশ্য বাজার বিশেষজ্ঞদের একাংশ মুনাফা তোলার হিড়িকের পাশাপাশি দুই রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ফলাফলকেও কিছুটা দায়ী করছেন। তাঁদের মতে, ঝাড়খণ্ড ও জম্মু-কাশ্মীর, দু’জায়গায় বিজেপি একাই সরকার গড়বে, এই আশা লেনদেনের শুরুতে সূচককে উঠতে সাহায্য করছিল। সঙ্গে ইন্ধন জুগিয়েছিল আন্তর্জাতিক শেয়ার বাজারের ঊর্ধ্বমুখী গতি। কিন্তু পরে স্পষ্ট হতে থাকে যে, ঝাড়খণ্ডে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও জম্মু-কাশ্মীরে সরকার গড়তে বিজেপি-কে অন্য দলের সঙ্গে জোট বাঁধতে হবে। এর পরেই শেয়ার বেচার হিড়িক বাড়ে। শেয়ার বাজার মহলের মতে, এই পরিস্থিতিতে সূচক ক’দিন টানা বাড়ায় কিছুটা মুনাফার মুখ দেখার পরে আর কোনও ঝুঁকি নিয়ে সেগুলি ধরে রাখতে চাননি লগ্নিকারীরা। বাজার সূত্রে খবর, বিদেশি লগ্নি সংস্থাগুলিও শেয়ার বেচেছে এ দিন। যে-কারণে ডলারের চাহিদা ছিল বেশি। টাকার দাম পড়ার অন্যতম কারণও এটি।
সিদ্ধা ও ইডেন গোষ্ঠীর যৌথ উদ্যোগে বনহুগলিতে তৈরি হচ্ছে আবাসন প্রকল্প ‘লেকভিল’। ক্রেতাদের পুরস্কার
দিতে আয়োজিত লটারিতে মঙ্গলবার হাজির অভিনেতা আবির চট্টোপাধ্যায়। প্রথম পুরস্কার
ছিল একটি ফ্ল্যাট ও গাড়ি, যেগুলির চাবিও তুলে দিয়েছেন তিনি।-নিজস্ব চিত্র