Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৭ জানুয়ারি ২০২২ ই-পেপার

অবশেষে বেতন দেওয়া শুরু বিএসএনএলে

নিজস্ব প্রতিবেদন
কলকাতা ১৬ মার্চ ২০১৯ ০১:৫৩
বিএসএনএল সূত্র জানিয়েছে, এ দিন কর্মীদের একাংশ বেতনের টাকা হাতে পাননি।

বিএসএনএল সূত্র জানিয়েছে, এ দিন কর্মীদের একাংশ বেতনের টাকা হাতে পাননি।

যে রকম আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, শুক্রবার বেতন-জট খুলতে সেই মতোই এগোল বিএসএনএল।

বৃহস্পতিবার খানিকটা আচমকাই রাষ্ট্রায়ত্ত টেলি সংস্থাটির সিএমডি অনুপম শ্রীবাস্তব জানিয়েছিলেন, কর্মীরা ফেব্রুয়ারির বকেয়া বেতন পাবেন শুক্রবার। সেই অনুযায়ী এ দিন তাদের বিভিন্ন সার্কল বা শাখা সংস্থায় বেতনের অর্থ পাঠিয়ে দেয় বিএসএনএলের সদর দফতর। তবে একাংশের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বেতনের টাকা পৌঁছলেও, বাকিরা আজ, শনিবার তা পাবেন বলে সংস্থা সূত্রের খবর।

জম্মু-কাশ্মীর, কেরল ও দিল্লিতে বিএসএনএলের কর্পোরেট অফিস (সিএমডি-সহ পদস্থ কর্তারা বাদে) ছাড়া ফেব্রুয়ারির বেতন পাননি সংস্থাটির প্রায় দেড় লক্ষ স্থায়ী কর্মী-অফিসার। কোনও মাসে এত দিন বেতন বকেয়া পড়ার ঘটনা তাদের ইতিহাসে এই প্রথম। অবশেষে বৃহস্পতিবার শ্রীবাস্তব জানান, সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকেই এই খাতে টাকা মেটাবে সংস্থা। এ দিন তিনি বলেন, ‘‘আমরা আজ সকলের বেতন পাঠিয়ে দিয়েছি। কর্মীরা সমস্যায় থাকলেও গ্রাহকদের সুষ্ঠু পরিষেবা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ বার ব্যবসা বাড়াতে আকর্ষণীয় প্রকল্প আনায় বাড়তি গুরুত্ব দেব।’’

Advertisement

কেন্দ্রীয় টেলিকম দফতরের (ডট) কাছে সংস্থাটি পায় প্রায় ২,৭০০ কোটি টাকা। সংস্থা সূত্রের খবর, তার মধ্যে ৫০০ কোটি মিটিয়েছে ডট। বকেয়া বেতন দিতে এখনকার আয়ের পাশাপাশি সেই তহবিলও কাজে লাগছে। বিএসএনএল সূত্র জানিয়েছে, এ দিন কর্মীদের একাংশ বেতনের টাকা হাতে পাননি। এ রাজ্যেও একই ঘটনা ঘটেছে। ওই সূত্রের দাবি, প্রতিটি সার্কলের সঙ্গে বেতন দেওয়ার জন্য একটি করে ব্যাঙ্কের গাঁটছড়া থাকে। সব সার্কলই এ দিন সেই সব ব্যাঙ্কে টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে। সেই নির্দিষ্ট ব্যাঙ্কগুলিতে যে সমস্ত কর্মীর অ্যাকাউন্ট রয়েছে, বেতন পেয়েছে শুধু তাঁরাই। বাকিদের সকলে এখনও পাননি। কারণ, অন্য ব্যাঙ্কে ওই টাকা স্থানান্তরের জন্য ক্লিয়ারিংয়ের কাজ এ দিন সময়ের অভাবে করা যায়নি। আশা আজ তা জমা পড়বে।

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

তবে বিএসএনএলের ঠিকা কর্মীরা এ দিনও বকেয়া বেতন পাননি। তাঁদের বেতনও বেশ কয়েক মাস ধরে অনিয়মিত। সূত্রের দাবি, ঠিকাদারদের পাওনা মেটানো হয় আলাদা তহবিল থেকে। সেই খাতে এখনও অর্থ বরাদ্দ হয়নি। অল ইউনিয়ন্স অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন অব বিএসএনএলের (এইউএবি) রাজ্যের আহ্বায়ক অনিমেষ মিত্র জানান, দিল্লির সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের জন্য তাঁরা সোমবার রাজ্যের দুই সার্কলের চিফ

জেনারেল ম্যানেজারের কাছে যাবেন।

আরও পড়ুন

Advertisement