অনিল অম্বানীর রিলায়্যান্স এডিএজি-র সংস্থাগুলি এবং সেগুলির ডিরেক্টর ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমে মুম্বইয়ের ১৭টি জায়গায় তল্লাশি চালাল সিবিআই। ব্যাঙ্ক ও জীবন বিমা নিগমের (এলআইসি) দায়ের করা তিনটি অভিযোগের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ করেছে তদন্তকারী সংস্থাটি।
রিলায়্যান্স টেলিকম, রিলায়্যান্স কমার্শিয়াল ফিনান্স ও রিলায়্যান্স হোম ফিনান্সের বিরুদ্ধে হওয়া মামলার প্রেক্ষিতে এই তল্লাশি চালানো হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক এবং এলআইসি-তে প্রায় ২৭,৩৩৭ কোটি টাকা প্রতারণা করেছে তারা। সরিয়েছে তহবিল। মুম্বইয়ের বিশেষ আদালত থেকে শুক্রবারই জারি হওয়া ওয়ারেন্ট নিয়ে ওই তিন সংস্থার ডিরেক্টরদের বাড়ি এবং কিছু মধ্যস্থতাকারী সংস্থার অফিসে হানা দেয় সিবিআই। তদন্তকারীদের দাবি, ওই মধ্যস্থতাকারী সংস্থাগুলির মাধ্যমে ব্যাঙ্কের টাকা অন্যত্র সরানো হয়েছিল। তল্লাশির সময় বহু অপরাধমূলক নথি উদ্ধার করা হয়েছে। একাধিক মধ্যবর্তী সংস্থা একই ঠিকানা থেকে কাজ চালাচ্ছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এই মামলাগুলি দায়ের হওয়ার পর-পরই, গত কয়েক মাসে ১৪টি স্থানে তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। মার্চে অনিলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল তারা। তার পরেই ২৪ এপ্রিল মামলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রিলায়্যান্স কমিউনিকেশন্সের দুই উচ্চপদস্থ কর্তা— ডি বিশ্বনাথ (যুগ্ম সভাপতি) এবং অনিল কাল্যাকে (সহ-সভাপতি) গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাঁরা বর্তমানে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।
সুপ্রিম কোর্ট সরাসরি অনিল অম্বানীর গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এই তদন্ত প্রক্রিয়ার ওপর নজরদারি চালাচ্ছে। প্রসঙ্গত, শুক্রবারই শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, অনিলের সংস্থার বিরুদ্ধে ওঠা ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগের পূর্ণ তদন্ত হওয়া উচিত।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)