E-Paper

বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই দেশে জারি হল নয়া শ্রমবিধির বিজ্ঞপ্তি

গত ২১ নভেম্বর বিধিগুলি আইনে পরিণত হয়। ৩০ ডিসেম্বর তৈরি হয় নতুন আইনের নিয়ম। পরের চার মাসে সেগুলি কার্যকর করার বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। অনেকেই বলছিলেন, ভোটের ফল বেরোনোর পরেই তা হবে। সেটাই সত্যি হল।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ১০ মে ২০২৬ ০৮:৫৩

— প্রতীকী চিত্র।

যেমনটা মনে করা হয়েছিল, সেটাই হল। পাঁচ রাজ্যের ভোটের ফল প্রকাশের পরেই নতুন শ্রমবিধি কার্যকরের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করল কেন্দ্র। গত ২১ নভেম্বর বিধিগুলি আইনে পরিণত হয়। ৩০ ডিসেম্বর তৈরি হয় নতুন আইনের নিয়ম। পরের চার মাসে সেগুলি কার্যকর করার বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। অনেকেই বলছিলেন, ভোটের ফল বেরোনোর পরেই তা হবে। সেটাই সত্যি হল। এক সরকারি কর্তা জানান, খসড়া নিয়ম তৈরির পরে সংশ্লিষ্ট মহলের মতামতের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছিল। এ বার বিজ্ঞপ্তি জারির পরে দেশে চার শ্রমবিধি কার্যকর করার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হল। যদিও এই বিধি কর্মীদের স্বার্থবিরোধী দাবি করে আগেই তা নিয়ে আপত্তি তুলেছে শ্রমিক সংগঠনগুলি। এ বার আরও বড় আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছে তারা। তা ছাড়া পশ্চিমবঙ্গে পূর্বতন তৃণমূল সরকার শ্রমবিধি চালু করবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছিল। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে কী হয়, সে দিকেও নজর সকলের।

পুরনো ২৯টি শ্রম আইনকে মিশিয়ে তৈরি হয়েছে চারটি শ্রমবিধি। সেগুলি হল মজুরি সংক্রান্ত ওয়েজ কোড ২০১৯, শিল্প সম্পর্ক বিষয়ে ইন্ডাস্ট্রিয়াল কোড ২০২০, সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত কোড অন সোসাল সিকিউরিটি ২০২০ এবং কর্মীদের কাজের জায়গায় সুরক্ষা, স্বাস্থ্য এবং কাজের পরিবেশ সংক্রান্ত অকুপেশনাল সেফ্‌টি, হেল্‌থ অ্যান্ড ওয়ার্কিং কন্ডিশন কোড ২০২০। কেন্দ্রের দাবি, এতে সহজ হবে ব্যবসার পরিবেশ। বাড়বে কাজের সুযোগ। নিশ্চিত হবে কর্মীদের স্বাস্থ্য, মজুরি এবং সামাজিক সুরক্ষা। বিজ্ঞপ্তির জারির পরে শ্রমিক-কর্মচারীরা যাতে সময়মতো বেতন পান, তা বিভিন্ন মন্ত্রক ও বিভাগের সচিব ও উপদেষ্টাদের নিশ্চিত করতে বলেছে অর্থ মন্ত্রক। তবে কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ তালিকায় রয়েছে শ্রম। তাই কেন্দ্র বিধি চালু করলেও, রাজ্যগুলিতে কার্যকর করতে আলাদা নিয়ম তৈরি করতে হবে। যে সব রাজ্য করবে না, সেখানে বিধি চালু হবে না। পশ্চিমবঙ্গে এখনও নিয়ম তৈরি হয়নি। এ বার পালাবদলের পরে তা হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

যদিও শ্রমবিধি নিয়ে আপত্তি তুলে গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারির পরে আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলি। সিটুর সাধারণ সম্পাদক তপন সেন বলেন, “ইতিমধ্যেই প্রতিবাদ জানিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছি। কল-কারখানায় শ্রমিকদের প্রতিবাদ জানানোর নির্দেশ দিয়েছি। ট্রেড ইউনিয়নগুলির সঙ্গে কথা বলে বড় আন্দোলনের কর্মসূচি তৈরি করা হবে।” তাঁর দাবি, আন্দোলনে কৃষকেরাও যোগ দেবেন। ১৩ মে সংযুক্ত কৃষক মঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করবেন তাঁরা।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

New Labour Codes Central Government

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy