চটের বস্তা বাদে অন্যান্য ধরনের পাটজাত পণ্য তৈরি বাড়াতে চায় কেন্দ্র। এ জন্য প্রশিক্ষণে জোর দিতে চায় কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রক। সম্প্রতি রাজ্যে এ ধরনের ৩টি বিশেষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন করলেন কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী সন্তোষ গাঙ্গোয়ার। ওই কেন্দ্রগুলি চালানো হবে এনজেএমসি-র বন্ধ চটকলে।
পাট পর্ষদ আয়োজিত সভায় গাঙ্গোয়ার ঘোষণা করেন রাজ্যে নতুন করে আরও দু’টি কমন ফেসিলিটি সেন্টার (সিএফসি)-চালু করার কথা। সেগুলি হবে সুন্দরবন এবং জলপাইগুড়িতে। এ দু’টি কেন্দ্র চালু হলে ৪০০ জনের কর্মসংস্থান হবে বলে দাবি করেন বস্ত্রমন্ত্রী।
ওই সব সিএফসিতে পাটজাত পণ্যের নকশা, উৎপাদনের মান বাড়ানো ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া ছাড়াও পণ্যগুলি বিপণনে সহায়তাও দেবে কেন্দ্রীয় সরকার। গাঙ্গোয়ার জানান, এ ধরনের কাজ করার জন্য প্রতিটি কেন্দ্রকে ২ কোটি টাকা করে দেওয়া হবে।
এ দিকে, পাটের ব্যবহার বাড়ানোর জন্য নতুন নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বার করার লক্ষ্যে গবেষণায় জোর দেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন বস্ত্রমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বিশেষ করে জমির ভাঙন রোখার ক্ষেত্রে পাট ব্যবহারের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তাই এই বিষয়টির উপর আলাদা করে জোর দিচ্ছেন তাঁরা। পাট পর্ষদের সচিব অরবিন্দ কুমার-ও জানান, চটের বস্তা ছাড়া পাটের রকমারি পণ্য তৈরি বাড়াতে কোমর বেঁধে নেমেছেন তাঁরা।
চলতি বাজেট অধিবেশনেই নতুন বস্ত্রনীতি ঘোষণা করা হবে বলেও জানিয়েছেন গাঙ্গোয়ার।