E-Paper

করোনার মতো যুদ্ধের সময়ও রফতানিকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিল কেন্দ্র

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে রফতানি চূড়ান্ত সমস্যায়। বহু বাজারে পণ্য পৌঁছনো যাচ্ছে না। পণ্য বোঝাই বহু জাহাজ বন্দরে এবং মাঝ সমুদ্রে আটকে রয়েছে। যার জন্য দেখা দিয়েছে কন্টেনারের অভাব। জাহাজ এবং কন্টেনার ভাড়া বাবদ গুনতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ। বেড়েছে রফতানি পণ্যে বিমার খরচও।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ০৭ মার্চ ২০২৬ ০৭:০৮

—প্রতীকী চিত্র।

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ যখন দেশীয় পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার কেড়ে নিচ্ছে, তখন বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল জানালেন, রফতানি শিল্পকে সাহায্য করতে বিভিন্ন মন্ত্রকের প্রতিনিধিদের নিয়ে কমিটি গড়েছেন তাঁরা। যার কাজ হবে দৈনন্দিন ভিত্তিতে রফতানি পরিস্থিতিতে নজর রাখা। একই সঙ্গে করোনার সময়ের মতোই রফতানিকারীদের পাশে দাঁড়ানো হবে বলেও শুক্রবার বার্তা দিয়েছে কেন্দ্র। এ দিন ডিরেক্টর জেনারেল অব ফরেন ট্রেড নির্দেশিকায় জানিয়েছে, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি ই-কমার্স সংস্থাগুলিকে মূলধন জুগিয়ে রফতানিতে সাহায্য করতে ভর্তুকি-সহ ঋণদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রকল্পটি ২৫,০৬০ কোটি টাকার রফতানি উন্নয়ন মিশনের অঙ্গ। ওই ব্যবস্থায় তারা যে ঋণ পাবে, তাতে গ্যারান্টি এবং সুদে ভর্তুকি দেবে সরকার। যে সব সংস্থা ডাক এবং কুরিয়র পরিষেবা মারফত বিদেশে পণ্য পাঠায়, তারা এই সুবিধা পাবে। এই ধরনের ব্যবসায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অভিজ্ঞতাও থাকতে হবে।

এ দিন গয়াল বলেন, ‘‘বর্তমান সমস্যায় রফতানিকারীদের সাহায্যের জন্য সংশ্লিষ্ট নীতিগুলিকে কী ভাবে আরও বেশি সহায়ক করা যায়, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ জন্য তৈরি করা হয়েছে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি। রফতানি উন্নয়ন মিশনকে কাজে লাগানোর চেষ্টা চলছে। এমন কিছু উপায় বার করব, যা এই শিল্পকে স্বস্তি েদবে।’’ তবে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা জানাননি মন্ত্রী।

উল্লেখ্য, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে রফতানি চূড়ান্ত সমস্যায়। বহু বাজারে পণ্য পৌঁছনো যাচ্ছে না। পণ্য বোঝাই বহু জাহাজ বন্দরে এবং মাঝ সমুদ্রে আটকে রয়েছে। যার জন্য দেখা দিয়েছে কন্টেনারের অভাব। জাহাজ এবং কন্টেনার ভাড়া বাবদ গুনতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ। বেড়েছে রফতানি পণ্যে বিমার খরচও। এ ছাড়া পণ্য বোঝাই জাহাজ বন্দরে বেশি সময় আটকে থাকলে জরিমানা গুনতে হয়। বহুক্ষেত্রে সময়ে পণ্য ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দিতে না পারায় বরাত বাতিলের আশঙ্কাও করছেন রফতানিকারীরা। সব মিলিয়ে ব্যবসা হারানোর সঙ্গে দ্রুত বেড়েছে রফতানি খরচ।

গয়ালের কথায়, ‘‘সমস্যা কতটা গভীর হচ্ছে সেই খবর নিতে বিশেষ কমিটি প্রতি দিনই রফতানিকারীদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। তাঁরা যাতে মনে না করেন যে এই বিপদের দিনে সরকার তাঁদের পাশে নেই, সেই জন্য আমরা বিশেষ ভাবে সজাগ।’’ গয়াল রফতানি পণ্য ঠিক সময় গন্তব্যে পৌঁছনোয় সাহায্যের কথাও বলেছেন। তাঁর বার্তা, পণ্য সরবরাহের প্রতিশ্রুতি যাতে বজায় থাকে, তা নিশ্চিত করতেকেন্দ্র বদ্ধপরিকর। কারণ, আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি রক্ষার ক্ষেত্রে ভারতের সুনাম আছে। অতিমারির সময়ের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রীর বার্তা, কোভিডের মতো কঠিন সময়েও ভারত তার সমস্ত নিজের প্রতিশ্রুতি পালন করেছিল।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

US-Israel vs Iran West Asia Export Hub Central Government Piyush Goyal

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy