যুদ্ধের জেরে তৈরি হওয়া সঙ্কট কাটাতে সরকার যথাসাধ্য করছে। কিন্তু সেই প্রচেষ্টাকে সফল করতে এগিয়ে আসতে হবে শিল্প মহলকেও। এই বার্তা দিয়ে তাদের জন্য ১২ দফা রূপরেখা পেশ করল বণিকসভা সিআইআই। তাদের মতে, এই পরিকল্পনা অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে। সামলানো যাবে যে কোনও সমস্যা।
প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে—
- কাঁচামাল, জ্বালানি ও পণ্য তৈরিতে কাজে লাগে এমন জিনিসের সরবরাহ বজায় রাখতে জন্য কেন্দ্রের সঙ্গে যৌথ ভাবে কৌশলগত সঞ্চয় গড়ে তোলা।
- জ্বালানি ও পণ্য পরিবহণ খরচে সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, তার সুফল সাধারণ ক্রেতা ও সহযোগীদের কাছে পৌঁছনো। যা মূল্যবৃদ্ধিতে রাশ টানতে সাহায্য করবে।
- কোনও একটি দেশের উপরে নির্ভরশীল না থেকে পণ্য আনার বিকল্প পথ খোলা রাখা। সঙ্গে কাঁচামালের মজুত নিশ্চিত করা।
- বিকল্প শক্তি, গ্রিন হাইড্রোজেন, জৈব-জ্বালানিতে লগ্নি বাড়ানো।
- এলপিজি-র বদলে প্রাকৃতিক গ্যাস বা অন্যান্য জ্বালানি ব্যবহার করা।
- হোটেল-রেস্তরাঁগুলির গ্যাসের বদলে বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থা রাখা।
- প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও কর্মসংস্থান বজায় রাখার চেষ্টা করা।
- বড় সংস্থাগুলির উচিত ছোট-মাঝারি শিল্পের টাকা দ্রুত মেটানো।
- উৎপাদন প্রক্রিয়া মসৃণ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানির খরচ কমানো।
- ঝুঁকি পর্যালোচনা ও পণ্য পরিবহণ পরিকল্পনা করা ও বিমার অঙ্ক বাড়ানো।
- দ্রুত সঙ্কট মোকাবিলা করতে ডিজিটাল ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা।
- হঠাৎ করে আসা আঘাত যুঝতে কাঁচামালের জোগান ও সরবরাহের জন্য করা চুক্তি খতিয়ে দেখা।
সিআইআই-এর ডিজি চন্দ্রজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, সরকার কাঠামো তৈরি করে পথ দেখিয়েছে। শিল্প তা কাজে লাগিয়ে ছোট সংস্থাকে সাহায্য করতে ও অর্থনীতিতে ভরসা জোগাতে পারে। যা বর্তমান সঙ্কট মোকাবিলায় সাহায্য করবে এবং ভবিষ্যতের সমস্যা যোঝার পথ তৈরি রাখবে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)