×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

১৪ জুন ২০২১ ই-পেপার

ব্যক্তিরহিত কর ব্যবস্থা নিয়ে নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রের

সংবাদ সংস্থা
নয়াদিল্লি ১৭ অগস্ট ২০২০ ০৩:৪২
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

আয়করদাতাদের দাবি-সনদ প্রকাশের সঙ্গেই বৃহস্পতিবার দেশে নতুন মোড়কে ব্যক্তরহিত কর মূল্যায়নের (ফেসলেস অ্যাসেসমেন্ট) ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কী ভাবে সেই মূল্যায়ন হবে, রবিবার তার নির্দেশিকা জারি করল প্রত্যক্ষ কর পর্ষদ (সিবিডিটি)। যা পাঠানো হয়েছে দিল্লির জাতীয় ই-অ্যাসেসমেন্ট কেন্দ্র

ও দেশের ২০টি শহরে আঞ্চলিক ই-অ্যাসেসমেন্ট কেন্দ্রে। যেখানে কর অফিসারেরা কী ভাবে কাজ করবেন, তার বিস্তারিত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকা অনুসারে—

• জাতীয় ও আঞ্চলিক ই-অ্যাসেসমেন্ট কেন্দ্রের মাধ্যমে ব্যক্তিরহিত কর মূল্যায়ন হবে।

Advertisement

• আঞ্চলিক কেন্দ্রের অফিসারেরা আয়কর আইনের আওতায় মূল্যায়ন ও যাচাইয়ের কাজ করবেন। কিন্তু আঞ্চলিক অফিস থেকে করদাতা বা তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা যাবে না।

• একমাত্র জাতীয় ই-অ্যাসেসমেন্ট কেন্দ্রের মাধ্যমেই যোগাযোগ করা হবে করদাতাদের সঙ্গে।

• ব্যক্তিরহিত ব্যবস্থার সমস্ত প্রক্রিয়াই চালানো হবে বৈদ্যুতিন মাধ্যমে।

• আয়কর আইনে তথ্য সংগ্রহ, হিসেবের খাতা দেখা-সহ বিভিন্ন কাজের জন্য সার্ভের প্রয়োজন হলে, একমাত্র ইনভেস্টিগেশন ডিরেক্টরেট এবং টিডিএস চার্জেস বিভাগের আওতায়ই তা করা যাবে।

• আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কর সংক্রান্ত বা কোনও চার্জের ক্ষেত্রেও ডিরেক্টরেটের সঙ্গে যৌথ ভাবে কাজ করতে হবে।

• কর আদায় সংক্রান্ত কাজ চালানো, আপিল আদালতের নির্দেশ পালন হচ্ছে কি না দেখার মতো নানা কাজের দায়িত্ব ফিল্ড অফিসারদের ইত্যাদি।

সৎ করদাতাদের যাতে আয়কর অফিসারদের হেনস্থার মুখে পড়তে না-হয়, সে জন্য ২০১৭ সালে প্রথম ফেসলেস অ্যাসেসমেন্ট আনার কথা বলা হয়েছিল। কাফে কফি ডে কর্ণধার ভি জি সিদ্ধার্থের মৃত্যুর পরেও সেই হেনস্থার প্রসঙ্গ উঠে আসে। শেষে গত অক্টোবরে এই ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক ভাবে চালু হয়। কিন্তু তার পরেও একাংশের অভিযোগ ছিল, এখনও সমস্যা দূর হয়নি।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, নতুন করে ব্যক্তিরহিত কর মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করে সেই অভিযোগই দূর করতে চেয়েছে মোদী সরকার। আর আজকের এই নির্দেশিকায় বিভিন্ন পর্যায়ে আয়কর অফিসারদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়ার পরে, কর যাচাই প্রক্রিয়া, করকর্তাদের কর্তব্য সম্পর্কে আরও স্বচ্ছ ধারণা তৈরি হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা।

এ দিকে, প্রত্যক্ষ করের পরে পরোক্ষ করেও ফেসলেস অ্যাসেসমেন্ট চালুর দাবি উঠছে। ইতিমধ্যেই এ নিয়ে কেন্দ্রকে আর্জি জানিয়েছে দেশের বস্ত্র রফতানিকারীদের সংগঠন।

Advertisement