চিনে রফতানি বৃদ্ধি এবং আমদানি নির্ভরতা কমাতে বহুমুখী কৌশল অনুসরণ করছে ভারত। এক সরকারি কর্তার দাবি, এক দিকে দেশে উৎপাদন বাড়ানোয় জোর দেওয়া হচ্ছে। অন্য দিকে, চিন ছাড়াও বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানির দিকে নজর দিচ্ছে কেন্দ্র। তবে পুরোপুরি বেজিং নির্ভরতা কমানো যে কঠিন, সেটা মেনেছেন তিনি। বিশেষত, ভারতের বহু শিল্পই কাঁচামালের জন্য যেখানে চিনের দিকে তাকিয়ে থাকে।
২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে চিনে ভারতের রফতানি প্রায় ৩৭% বেড়ে হয়েছে ১৯৪৭ কোটি ডলার। আমদানি ১৬% বেড়ে ১৩,১৬৩ কোটি। ফলে বাণিজ্য ঘাটতি পৌঁছেছে ১১,২৬০ কোটিতে। এই অবস্থায় নয়াদিল্লি যে বিষয়ে জোর দিচ্ছে, সেগুলি হল—
- শিল্পের জন্য উৎপাদন ভিত্তিক উৎসাহ প্রকল্প (পিএলআই) আনা। যাবৈদ্যুতিন পণ্য, ওষুধ, গাড়ি ও তার যন্ত্রাংশে চিন নির্ভরতা কমাবে।
- তাইওয়ান, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপানও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন দেশ থেকে কাঁচামাল ও যন্ত্রাংশ আমদানি।
- চিনের বাজারে কৃষিজাত পণ্য, সামুদ্রিক খাবার এবং জেনেরিক ওষুধ রফতানি বাড়ানোর পথ খোঁজা।
- চিন নির্ভরতা বেশি, এমন প্রায় ১০০টি পণ্যের তালিকা তৈরি করে বিকল্প পথের সন্ধান। যার মধ্যে রয়েছে এঞ্জিনিয়ারিং পণ্য, ইস্পাত, যন্ত্রপাতি এবং কিছু ভোগ্যপণ্যও।
- কাঁচামাল ও অন্যান্য পণ্য তৈরিতে লাগে এমন জিনিসের আমদানি চালু থাকলেও, তাতে চিনের উপরে বাড়তি নির্ভরতা কমানোর ব্যবস্থা করা।
- বাণিজ্যের অবস্থা পর্যবেক্ষণে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)