ইরান থেকে তেল আমদানির ঘাটতি মেটাতে আমেরিকার দুই সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করেছে ইন্ডিয়ান অয়েল (আইওসি)। সৌদি আরবের অ্যারামকোর কাছ থেকেও বাড়তি তেল কিনবে তারা। সব মিলিয়ে বিশ্ব বাজার থেকে তেলের জোগান নিয়ে আশাবাদী আইওসি-র চেয়ারম্যান সঞ্জীব সিংহ। তবে এর পাশাপাশি তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, দামে কী প্রভাব পড়বে তা বলা কঠিন। 

ভারত-সহ আটটি দেশের উপর থেকে ইরানের তেল কেনার ছাড় তুলে নিয়েছে আমেরিকা। যে কোনও রকম পরিস্থিতির আশঙ্কায় এপ্রিল থেকে দেশের তেল শোধনাগারগুলি বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে শুক্রবার জানান আইওসির চেয়ারম্যান। বস্তুত, বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে বার্ষিক চুক্তির বাইরেও কিছু বাড়তি তেল কেনার ব্যবস্থা রাখে দেশের সংস্থাগুলির। 

চেয়ারম্যান বলেন, ‘‘কোনও একটি দেশ থেকে ওই ঘাটতি পূরণ সম্ভব নয়। বিভিন্ন জায়গা থেকে তা করা হচ্ছে।’’ সেই লক্ষ্যেই এ বছর আমেরিকার দুটি সংস্থা— ইকুইনরের কাছে থেকে ৩০ লক্ষ টন ও সোনাট্র্যাকের কাছ থেকে ১৬ লক্ষ টন তেল কেনার জন্য তাদের সঙ্গে চুক্তি করেছে আইওসি।

আইওসি-র ডিরেক্টর (ফিনান্স) এ কে শর্মা জানান, চুক্তি মতো বছরে সৌদি আরব থেকে ৫৬ লক্ষ টনের পাশাপাশি বাড়তি আরও ২০ লক্ষ টন তেল কেনার সুবিধা থাকে। সে সবের পাশাপাশি আগামী জুলাই থেকে ছ’মাস আরও ২০ লক্ষ ব্যারেল তেল কিনবে সংস্থাটি।  

অন্য দিকে, ড্রোন হামলায় সম্প্রতি সৌদি আরবের অ্যারামকোর তেলের যে পাইপলাইনটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, ফের তা চালু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির এক কর্তা।