কিছু ক্ষেত্রে প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধে আপত্তি নেই শিল্পের। কিন্তু ইন্ডিয়ান প্লাস্টিক ফেডারেশনের (আইপিএফ) বক্তব্য, এ নিয়ে আগে স্বচ্ছ নীতি তৈরি করুক কেন্দ্র। তাদের দাবি, তার আগে একতরফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে সার্বিক ভাবে প্লাস্টিক পণ্য নিয়েই বিভ্রান্তি তৈরি হবে। যে সব প্লাস্টিক পুনর্ব্যহারযোগ্য, সেগুলির জন্য আরও বেশি বর্জ্য সংশোধন প্রকল্প চালুতে জোর দেওয়ার আর্জি জানিয়েছে তারা। এ নিয়ে স্পষ্ট নীতির কথা বলেছে ব্যবসায়ীদের সংগঠন সিএআইটি-ও।

সম্প্রতি পেট্রোকেমিক্যাল সংক্রান্ত সভার ফাঁকে আইপিএফের প্রেসিডেন্ট অলোক টিবরেওয়ালা জানান, নির্দিষ্ট প্লাস্টিক পণ্য বন্ধে আপত্তি নেই। কিন্তু যে ভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ হচ্ছে তাতে মহারাষ্ট্র ও উত্তরপ্রদেশে ইতিমধ্যেই বহু কারখানা বন্ধ হয়েছে। 

প্রায় এক লক্ষ কর্মী কাজ হারিয়েছেন। সব ধরনের প্লাস্টিক নিয়েই সংশয় তৈরি হচ্ছে। তাঁর দাবি, প্লাস্টিক পণ্য পুনর্ব্যবহারে জোর দিলে দূষণ কমবে, শিল্পের উন্নতি হবে। পুনর্ব্যবহারযোগ্য না হলে তাতে নিষেধাজ্ঞা বসানো যেতে পারে। তাঁদের হিসেবে, দেশে প্লাস্টিক শিল্পের ব্যবসা প্রায় ২.২ লক্ষ কোটি টাকা। পুনর্ব্যবহারযোগ্যে তা প্রায় ৮০,০০০ কোটি টাকা।

সভায় পেট্রোকেমের অনুসারী শিল্প হিসেবে প্লাস্টিকের সম্ভাবনার কথা জানান শিল্প-কর্তা সঞ্জয় বুধিয়া। তাঁর দাবি, বিশ্বে মাথাপিছু পলিমার ব্যবহার ৩০ কেজি। ভারতে তা ১০ কেজি।