Advertisement
E-Paper

ডিজিটাল যুগে ‘ব্র্যান্ডিং’-এ জোর, পরিচিতি গড়ে তোলার কৌশলে লুকিয়ে সম্পর্কের ভিত!

ডিজিটাল যুগে যে কোনও পরিষেবা বা সামগ্রীর ‘ব্র্যান্ডিং’ করার কাজ বদলেছে। বদলেছে পড়াশোনার ধরনও। জেনে নেওয়া যাক, তা শেখার সুযোগ কোথায়, কেমন?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:০৩

ছবি: এআই।

ডিজিটাল যুগে দুনিয়ার সব ঘটনাই হাতের মুঠোয়। দীপিকা পাডুকোন থেকে শুরু করে বিরাট কোহলি— বিভিন্ন ক্ষেত্রের তারকারা স্বমহিমায় নিজের ‘ব্র্যান্ড ইমেজ’কে কাজ লাগিয়ে বিজ্ঞাপন-বিপণনের মুখ হয়ে উঠেছেন। তাঁদের নিজস্ব ব্র্যান্ডও পৌঁছে গিয়েছে আমজনতার দরবারে। সমাজমাধ্যমের সাহায্যে ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং-এর কদরও ক্রমশ বাড়ছে। তাই বদলেছে ‘ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্ট’ নিয়ে পড়াশোনার ধরনও।

বিষয়টি কী?

যে কোনও পরিষেবা, নতুন সামগ্রীর সঙ্গে আমজনতার পরিচয় করে দেয় তার ব্র্যান্ডিং। ওই কাজটি যিনি করে থাকেন, তাঁকে ‘ব্র্যান্ড ম্যানেজার’ বলা হয়। ব্র্যান্ড ম্যানেজারেরা যে কোনও নতুন পরিষেবা বা সামগ্রীর পরিচয় করিয়ে দেওয়া, তার সুনাম বজায় রাখা এবং বাজারে ব্র্যান্ড-এর বিষয়ে সকলকে জানানোর কাজটি করে থাকেন। এর জন্য তাঁদের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা দরকার। এতে বাকিরাও ওই পরিষেবা নিতে বা নতুন সামগ্রী ব্যবহারে উৎসাহী হয়।

কী কী বিষয়ে দক্ষতা থাকা চাই?

বিজ্ঞাপন-বিপণন-ব্র্যান্ডিং ক্ষেত্রে যে কোনও নতুন সামগ্রী বা পরিষেবার সুনাম করার জন্য বিশদ গবেষণার প্রয়োজন। ওই পরিষেবা কাদের জন্য উপযুক্ত, কী ভাবে বিভিন্ন বয়সের ক্রেতাদের কাছে ওই পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া যেতে পারে— সেই সম্পর্কিত কাজে সঠিক ধারণাও থাকা দরকার। একই সঙ্গে বাজারে ওই ধরনের পরিষেবা অন্য কোনও সংস্থা দিয়ে থাকলে, তা নিয়েও খোঁজখবর করতে হবে। ক্রেতাদের মনোভাবের কথা মাথায় রেখেই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রচার চালানো দরকার। এর জন্য বর্তমানে সমাজমাধ্যমকেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

ছবি: এআই।

কারা হতে পারেন ব্র্যান্ড ম্যানেজার?

অর্থনীতি, মার্কেটিং, বিজ়নেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, কমিউনিকেশনস-এর মতো বিষয় নিয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর স্তরে পড়াশোনার পরে এই পেশায় আসা সম্ভব। তবে, এর জন্য পড়ুয়াদের ব্র্যান্ডিং, মার্কেট স্ট্র্যাটেজি নিয়ে নিয়মিত চর্চায় থাকা প্রয়োজন। স্নাতক পাশের পরে ব্র্যান্ড ম্যানেজমেন্ট নিয়েও পড়াশোনা সম্ভব। এর জন্য পড়ুয়াদের ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানগুলি থেকে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা করে নিতে হবে।

শুরু কী ভাবে?

শুরুতেই কিন্তু ব্র্যান্ডিং-এর কাজ করার সুযোগ মেলে না। পড়াশোনার পরে ইন্টার্নশিপ বা ট্রেনিশিপের মাধ্যমে বিভিন্ন সংস্থার অধীনে কাজ শিখতে হয়। অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা অর্জনের পরে প্রথমে মার্কেটিং এগ্‌জ়িকিউটিভ কিংবা কো-অর্ডিনেটর হিসাবে চাকরির সুযোগ পাওয়া যায়। পরে ধীরে ধীরে পদোন্নতি হলে স্পেশ্যালিস্ট হিসাবে কাজ করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে বিনোদনজগৎ থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান— সব ক্ষেত্রেই চাকরির সুযোগ থাকে। তবে, বর্তমানে বিভিন্ন স্টার্টআপেও ব্র্যান্ড ম্যানেজারের চাহিদা রয়েছে।

তবে, অতিমারি পরবর্তী সময়ে ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং-এর কদর বৃদ্ধি পাওয়ায় ভার্চুয়াল মোডে কাজের পরিমাণ বেড়েছে। বিজ্ঞাপন-বিপণন-ব্র্যান্ডিং ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটাল মোডে দ্রুত তথ্য সংগ্রহ এবং তার প্রচার সহজ হয়ে উঠেছে। তবে, সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য মুখোমুখি বসে ব্র্যান্ডিং নিয়ে আলোচনা করতে পারলে বেশি লাভবান হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

job prospect career after graduation Corporate Economy Brand Endorsements
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy