Advertisement
E-Paper

‘ওদের জন্য চমক আছে’! হুঁশিয়ারি দেন ইরানের সেনা মুখপাত্র, তার কয়েক ঘণ্টা পরই আমেরিকা-ইজ়রায়েলের হানায় মৃত্যু

প্রসঙ্গত, ইজ়রায়েলি এবং মার্কিন হামলায় নিহত হওয়ার আগে ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন আইআরজিসি মুখপাত্র নৈনি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২০ মার্চ ২০২৬ ১৮:২৭
ইরানের সেনা মুখপাত্র মহম্মদ নৈনি। ছবি: সংগৃহীত।

ইরানের সেনা মুখপাত্র মহম্মদ নৈনি। ছবি: সংগৃহীত।

ইজ়রায়েল-আমেরিকার জন্য নতুন চমক অপেক্ষা করছে। হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-এর মুখপাত্র আলি মহম্মদ নৈনি। ঠিক তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আমেরিকা-ইজ়রায়েলের বিমান হানায় নিহত হলেন তিনি। এই হামলাকে কাপুরুষোচিত বলে নিন্দা করেছে ইরান।

প্রসঙ্গত, ইজ়রায়েলি এবং মার্কিন হামলায় নিহত হওয়ার আগে ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন আইআরজিসি মুখপাত্র নৈনি। নেতানিয়াহু দাবি করেছিলেন যে, ইরানে এমন হামলা চালানো হয়েছে যে, ওদের হাতে ইউরেনিয়াম নেই। ক্ষেপণাস্ত্রও তৈরি করতে পারবে না। তাঁর এই মন্তব্যকে কটাক্ষ করে নৈনি পাল্টা হুঁশিয়ারি দেন, ইজ়রায়েল স্বপ্নের জগতে বাস করছে। ওরা যেটা ভাবছে, বাস্তবে ছবিটা তা নয়। হামলা চালিয়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনকে রুখে দিতে পারবে না ইজ়রায়েল এবং আমেরিকা।

নৈনি আরও দাবি করেন, পশ্চিম এশিয়ায় সামরিক সংঘাতের আবহে তাঁদের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের পরিমাণ আরও বাড়ানো হয়েছে। তাঁদের হাতে যে পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র আছে, তাতে চিন্তিত হওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। এর পরই নৈনি বলেন, ‘‘শত্রুর (ইজ়রায়েল) জন্য আরও বড় চমক রয়েছে। সংঘাত যত জোরালো হবে, ওদের জন্য চমক তত বড়ে হবে।’’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিকেও খণ্ডন করেন নৈনি। ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, ইরানে নৌবাহিনীকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। পারস্য উপসাগরে আমেরিকার রণতরী মোতায়েন করা হয়েছে। নৈনি বলেন, ‘‘ট্রাম্প বলেছিলেন যে, ইরানের নৌবাহিনীকে ধ্বংস করে দিয়েছে আমেরিকা। যদি সেটাই করে থাকেন, তা হলে পারস্য উপসাগরে রণতরী পাঠানোর সাহস দেখান।’’ শুক্রবার এই হুঁশিয়ারি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের হামলায় নিহত হন নৈনি। চলতি সপ্তাহেই নিহত হন ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি। তিনি ছাড়াও বাসিজ রেজ়িসট্যান্স ফোর্স-এর প্রধান গোলামরেজ়জা সোলেইমানিরও মৃত্যু হয় ইজ়রায়েলের হামলায়। এ ছাড়াও, ইসমাইল খাতিব নামে ইরানের আরও এক শীর্ষকর্তারও মৃত্যু হয় চলতি সপ্তাহেই।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছে ইজ়রায়েল এবং ইরান। সামরিক অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’। ওই দিন একের পর এক হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতাআয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হন। ছাড়াও আইআরজিসির সর্বাধিনায়ক মেজর জেনারেল মহম্মদ পাকপুর, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজিজ নাসিরজাদেহ, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল সইদ আব্দুর রহিম মুসাভি-সহ বেশ কয়েক জনের মৃত্যু হয় ইজ়রায়েল এবং আমেরিকার হামলায়।

Iran
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy