জয়ে ফিরল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। সোমবার লখনউকে তারা হারিয়ে দিল ৬ উইকেটে। চোট সারিয়ে ফিরেই ভাল খেললেন রোহিত শর্মা। সঙ্গ দিলেন রায়ান রিকেলটনও। দুই ব্যাটারের আগ্রাসী ইনিংসে জিতল মুম্বই। ব্যর্থ লখনউয়ের নিকোলাস পুরানের আগ্রাসী ইনিংস। প্রথমে ব্যাট করে লখনউ তুলেছিল ২২৯/৪। জবাবে ৮ বল বাকি থাকতেই জেতে মুম্বই।
শরীর খারাপ থাকায় এ দিন খেলতে পারেননি হার্দিক পাণ্ড্য। তাঁর বদলে মুম্বইয়ের নেতৃত্ব দেন সূর্যকুমার যাদব। তিনিই প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন। জানান, রোহিতও চোট সারিয়ে ফিরেছেন দলে। লখনউয়ের অধিনায়ক ঋষভ পন্থ জানান, জশ ইংলিস খেলবেন। সেই সঙ্গে অভিষেক হয় অক্ষত রঘুবংশীরও।
লখনউয়ের হয়ে প্রথম খেলতে নামলেও সাফল্য পাননি ইংলিস। তিনটি চার মেরে শুরুটা ভালই করেছিলেন। কিন্তু ৫ বলে ১৩ করে ফিরে যান। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন মিচেল মার্শ এবং নিকোলাস পুরান। প্রথম দিকে মার্শই আক্রমণ করছিলেন। ধীরে ধীরে হাত খোলেন পুরান। এ দিন তিনি পছন্দের তিন নম্বরে নেমেছিলেন। সেই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগান তিনি। উইল জ্যাকসকে একটি ওভারে তিনটি ছয় মারেন। এর পর আল্লা গজ়নফর এবং করবিন বশকেও দু’টি করে ছয় মারেন। ১৬ বলে অর্ধশতরান করে ফেলেন পুরান। তার পরেই ছন্দপতন। বশের বলে ফিরে যান ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের ব্যাটার। একটি চার এবং আটটি ছয়ের সাহায্যে ২১ বলে ৬৩ করে ফেরেন তিনি। ভেঙে যায় ৯৪ রানের জুটি। এর পর ফেরেন মার্শ (৪৪)।
পন্থ নেমেছিলেন চারে। তিনি ১০ বলে ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি। অভিষেক হওয়া অক্ষতের অবদান ৭ বলে ১১। লখনউয়ের ইনিংসকে ২০০ পার করে দেন এডেন মার্করাম (অপরাজিত ৩১) এবং হিম্মত সিংহ (অপরাজিত ৪০)।
এই পিচে যে রান উঠবে সেটা বোঝা গিয়েছিল লখনউয়ের ব্যাটিং দেখেই। মুম্বইয়ের ওপেনারেরা চালিয়ে শুরু করেন। আগের ম্যাচে বড় রান না পেলেও এ দিন চালিয়ে খেলতে থাকেন রায়ান রিকেলটন। যোগ্য সঙ্গত দেন রোহিত। লখনউয়ের কোনও বোলারকেই তাঁরা রেয়াত করেননি। ওপেনিং জুটিতেই উঠে যায় ১৪৩ রান। শেষ পর্যন্ত ৬টি চার এবং ৮টি ছয় মেরে ৩২ বলে ৮৩ করে ফেরেন রিকেলটন। রোহিত তখনও ক্রিজ়ে ছিলেন। প্রত্যাবর্তনে শতরানের সুযোগ ছিল তাঁর কাছে। তা অবশ্য হয়নি। তিনি ৬টি চার এবং ৭টি ছয়ের সাহায্যে ৪৪ বলে ৮৪ রান করেন।
আরও পড়ুন:
অধিনায়কত্ব পেয়েও অবশ্য সূর্যকুমারের ব্যাটে রান দেখা গেল না। ৪ বলে তাঁর অবদান মাত্র ৭। তিনে নেমে রান পাননি তিলকও (১১)। সেখান থেকে মুম্বইকে জিতিয়ে দেন নমন ধীর (অপরাজিত ২৩) এবং উইল জ্যাকস (অপরাজিত ১০)।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- ২৮ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে প্রতিযোগিতা। গত বছর প্রয়াত ১১ সমর্থকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ বার হয়নি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
- এখনও পর্যন্ত আইপিএলের গ্রুপ পর্বের ৭০টি ম্যাচের সূচি ঘোষণা হয়েছে। প্রথমে ২০টি ম্যাচের সূচি জানিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। পরে বাকি ৫০টি ম্যাচেরও সূচি ঘোষণা করেছে তারা। তবে প্লে-অফের সূচি এখনও ঘোষণা করা হয়নি।
- আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি, পাঁচ বার করে ট্রফি জিতেছে চেন্নাই সুপার কিংস এবং মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। কলকাতা নাইট রাইডার্স জিতেছে তিন বার। গত বছর প্রথম বার ট্রফি জিতেছিল বেঙ্গালুরু।
-
১৭:৫৬
‘সামনে বিয়ে নাকি’? টসের সময় সঞ্চালকের প্রশ্ন শুভমনকে, কী বললেন গুজরাতের অধিনায়ক? -
১৫:০৩
টানা তিন ম্যাচ জিতে আইপিএলের প্লেঅফের লড়াইয়ে কেকেআর, কী ভাবে শেষ চারে জায়গা করে নিতে পারে শাহরুখ খানের দল? -
১২:১২
আইপিএলে নতুন মাইলফলক স্পর্শ নারাইনের, প্রথম বিদেশি বোলার হিসাবে নজির কেকেআর স্পিনারের -
সহজ ম্যাচও কঠিন করে জিতল গুজরাত, সুদর্শনের অর্ধশতরানে জয় ৪ উইকেটে, ব্যাটিং ব্যর্থতায় আবার হার পঞ্জাবের
-
জয়ের হ্যাটট্রিক কেকেআরের! আইপিএলে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন রাহানের দলের, হায়দরাবাদ ৭ উইকেটে উড়ে গেল নারাইন-বরুণদের সামনে