E-Paper

সুদ কমানোর পর বেড়েছে শিল্পের ঋণ, তবে অনেকটাই কমেছে কৃষিঋণ, জানাল আরবিআই

সম্প্রতি আরবিআই-এর আর্থিক স্থিতিশীলতা রিপোর্ট জানিয়েছে, ভারতে ব্যাঙ্কিং শিল্পের হাল মজবুত। আগামী ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে দেশের অনুৎপাদক নেমে আসতে পারে মোট ঋণের ১.৯ শতাংশে।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:১২

—প্রতীকী চিত্র।

দেশে চাহিদা বাড়াতে এবং শিল্পের পুঁজি জোগাড়ের পথ সহজ করতে গত বছর ১২৫ বেসিস পয়েন্ট সুদ ছাঁটাই করেছে রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক। সম্প্রতি শীর্ষ ব্যাঙ্কের তথ্য জানাল, নভেম্বরে শিল্পের ঋণ বেড়েছে ৯.৬%। যা ২০২৪ সালের এই সময়ে ছিল ৮.৩%। পরিকাঠামো, সমস্ত এঞ্জিনিয়ারিং ক্ষেত্র, বস্ত্র, পেট্রোপণ্য, কয়লা এবং পরমাণু জ্বালানির ক্ষেত্রে ঋণের চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। দুই অঙ্কের ঋণ বৃদ্ধির হার দেখেছে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প। তবে ২৯ নভেম্বরে শেষ হওয়া পনেরো দিনে কমেছে কৃষিঋণের চাহিদা। তা ৮.৭% মাথা তুলেছে ঠিকই, কিন্তু তার আগের বছরের এই সময়ের ১৫.৩ শতাংশের তুলনায় এই হার অনেকটাই কম। কৃষি বাদে অন্যান্য ক্ষেত্রের ঋণ নেওয়া বেড়েছে ১১.৪%।

সম্প্রতি আরবিআই-এর আর্থিক স্থিতিশীলতা রিপোর্ট জানিয়েছে, ভারতে ব্যাঙ্কিং শিল্পের হাল মজবুত। আগামী ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে দেশের অনুৎপাদক নেমে আসতে পারে মোট ঋণের ১.৯ শতাংশে। তবে যতটা অনাদায়ি ঋণ তৈরি হচ্ছে, তার বেশির ভাগটাই আসছে ক্রেডিট কার্ড, ব্যক্তিগত ঋণের মতো ক্ষেত্র থেকে। তা নিয়ে সতর্ক করে তারা জানিয়েছে, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে যেখানে মোট ঋণে অসুরক্ষিত ঋণের অংশীদারি ১৫.৯%, সেখানেই বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলিতে তা ৭৬%। আর্থিক পরিষেবা সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে তা ৭০%। ঋণ গ্রহীতাদের অর্ধেকের বেশিই ৩৫ বছরের কম বয়সি। সম্প্রতি যদিও আরবিআই-এর রিপোর্ট জানাচ্ছে, নভেম্বরে ব্যক্তিগত ঋণ নেওয়ার পরিমাণ কিছুটা হলেও কমেছে। ২০২৪-এর এই সময়ের ১৩.৪% থেকে নেমেছে ১২.৮ শতাংশে।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

interest rate Loan

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy