এপ্রিলে খুচরো মূল্যবৃদ্ধির হার বাড়লেও, কিছুটা স্বস্তি দিল সার্বিক মূল্যবৃদ্ধি। ওই সময়ে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩.০৭%। মার্চে এই হার ছিল ৩.১৮%। আর গত বছরের এপ্রিলে ৩.৬২%। 

মঙ্গলবার প্রকাশিত কেন্দ্রের পরিসংখ্যান জানিয়েছে, গত মাসে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে খাদ্যপণ্যের দাম। এর মধ্যে আনাজের দরই বেড়েছে ৪০.৬৫%। ডিসেম্বরের পর থেকেই টানা বাড়ছে খাদ্যপণ্যের দাম। তবে গত মাসে কমেছে আলু, পেঁয়াজ ও ফলের দর। এ দিকে রান্নার গ্যাসের দাম বাড়লেও, ওই সময়ে সামগ্রিক ভাবে পেট্রল ও ডিজেলের দাম নিম্নমুখীই ছিল। 

জুনে পরবর্তী ঋণনীতি ঘোষণা করবে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। ঋণনীতি নির্ধারণে মূলত খুচরো মূল্যবৃদ্ধির হারকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়। গত মাসে যা দাঁড়িয়েছে ছ’মাসে সর্বাধিক (২.৯২%)। অনেকের মতে, খুচরো ও পাইকারি মূল্যবৃদ্ধি, দুই-ই শীর্ষ ব্যাঙ্কের লক্ষ্যমাত্রার অনেকটা নীচে রয়েছে। ফলে ঋণনীতিতে সুদের কমানোর সম্ভাবনা থাকবে।

স্টেট ব্যাঙ্কের গবেষণা শাখার রিপোর্ট অনুসারে, আগামী ঋণনীতিতে সুদ ২৫ বেসিস পয়েন্টের বেশি কমানো উচিত। বৃদ্ধিতে গতি আনতেই তা জরুরি বলে জানিয়েছে রিপোর্ট। উল্লেখ্য, গত দু’টি ঋণনীতিতে সুদ কমিয়েছিল শীর্ষ ব্যাঙ্ক।