গত নভেম্বর থেকে ইরানের উপরে নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে আমেরিকা। ভারত-সহ আট দেশকে সেখানকার তেল আমদানিতে দেওয়া ছাড়ও তুলেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। কিন্তু তা সত্ত্বেও তেল বিক্রি বহাল রয়েছে বলে দাবি ইরানের। শনিবার ইরানের তেলমন্ত্রী বিজন নামদার জান্গানেহ্‌ এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সরকারি পদ্ধতি এবং প্রচলিত প্রথার বাইরে গিয়ে তেল বেচছেন তাঁরা। তবে কী ভাবে তা করা হচ্ছে, তা নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি। মন্ত্রীর দাবি, এর পুরোটাই গোপনীয়। কারণ না-হলে আমেরিকা সঙ্গে সঙ্গে তা বন্ধ করবে। তেহরানের তেল রফতানির বিস্তারিত বিবরণও প্রকাশ করতেও চাননি বিজন। তাঁর দাবি, নিষেধাজ্ঞা উঠলে তা সামনে আনা হবে। 

এ দিকে, ইরানের বিরুদ্ধে তেলকে হাতিয়ার করা হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন বিজন। তাঁর অভিযোগ, তেল রফতানিকারীদের গোষ্ঠী ওপেকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ইরান এবং ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে সংঘাতে সংগঠনকে রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করছে কিছু সদস্য দেশ। ইরান শত্রু না-হলেও, দুই আঞ্চলিক দেশ ওপেকের মধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে শত্রুতা করছে। আর সে জন্য হাতিয়ার হিসেবে বিশ্ব বাজারে তেলকে ব্যবহার করছে তারা। তবে এই অভিযোগ করলেও, ওপেক ছাড়ার কোনও পরিকল্পনাই ইরানের নেই বলে স্পষ্ট করেছেন বিজন।