Advertisement
E-Paper

space tourism: কার যানে চাঁদে পা, মামলা আদালতে

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, মহাকাশযাত্রা এবং গবেষণাকে ঘিরে আগামী দিনে আরও তীব্র হবে সংস্থাগুলির মধ্যে প্রতিযোগিতা।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১৮ অগস্ট ২০২১ ০৭:৪৯
জেফ বেজোস এবং ইলন মাস্ক।

জেফ বেজোস এবং ইলন মাস্ক।

ইলন মাস্ক এবং জেফ বেজোস। বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তিদের তালিকায় এক জন প্রথম, তো অন্য জন দ্বিতীয়। প্রথম জন, অর্থাৎ মাস্ক নিজের সংস্থা টেসলার হাত ধরে বিপ্লব এনেছেন বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে। দ্বিতীয় জন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ই-কমার্স সংস্থার মালিক। তাঁদের দ্বৈরথ এখন পৃথিবীর মাটি ছাড়িয়ে মহাকাশেও। ১৯৭২ সালের পরে চাঁদে পা রাখার আমেরিকার স্বপ্নপূরণের মহাকাশযান (লুনার ল্যান্ডার) গড়তে কার সংস্থা দ্বায়িত্ব পাবে, তা নিয়ে তাঁদের লড়াই এ বার গড়াল আদালতে। মাস্কের সংস্থা স্পেস-এক্সকে শুধু কেন সেই বরাত দেওয়া হয়েছে, সে ব্যাপারে প্রশ্ন তুলে সে দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিরুদ্ধে মামলা করল বেজোসের ব্লু অরিজিন।

‘আর্টিমিস’ অভিযানের হাত ধরে ২০২৪ সালের মধ্যে ফের চাঁদের মাটিতে মানুষ পাঠানোর স্বপ্ন দেখছে আমেরিকা। যার জন্য ল্যান্ডার তৈরির বরাত দেওয়ার জন্য দরপত্র ডেকেছিল নাসা। প্রথমে বলা হয়েছিল একাধিক সংস্থা সেই দায়িত্ব পাবে। পরে সেই নিয়ম পাল্টে একটি সংস্থাকেই বেছে নেওয়া হয়। ২৯০ কোটি ডলারের (প্রায় ২১,৭৫০ কোটি টাকা) সেই বরাত পায় স্পেস-এক্স। নাসার খরচের মধ্যে ২০০ কোটি ডলার (প্রায় ১৫,০০০ কোটি টাকা) বহন করার প্রতিশ্রুতি দিলেও খারিজ হয় ব্লু অরিজিনের দরপত্র।

এই বরাত দেওয়া নিয়ে প্রতিবাদ জানায় ব্লু অরিজিন এবং প্রতিরক্ষা সংস্থা ডাইনেটিক্স। একটি ব্লগে স্বয়ং বেজোসের দাবি ছিল, এই নিয়মেই ভুল রয়েছে। একটি নয়, কমপক্ষে দু’টি সংস্থাকে সেই ল্যান্ডার তৈরির দায়িত্ব দেওয়া উচিত। এমনকি তারা অভিযোগ করে, দর বদলানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে স্পেস-এক্সকে। কিন্তু সেই অভিযোগ খারিজ করে নাসার সঙ্গেই সহমত হয় গভর্নমেন্ট অ্যাকাউন্টেবিলিটি অফিস। এর পরেই এই মামলা করল ব্লু অরিজিন। ১২ অক্টোবরের মধ্যে যার জবাব দিতে হবে নাসাকে। গবেষণা সংস্থাটি জানিয়েছে, সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্পেস-এক্স অবশ্য মামলা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। তবে এর আগেই একাধিকবার ব্লু অরিজিনের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন মাস্ক।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, মহাকাশযাত্রা এবং গবেষণাকে ঘিরে আগামী দিনে আরও তীব্র হবে সংস্থাগুলির মধ্যে প্রতিযোগিতা। তার আভাস মিলছে ইতিমধ্যেই। মাস্ক এবং বেজোসের সংস্থা তো রয়েইছে। দৌড়ে আছে রিচার্ড ব্র্যানসনের ভার্জিন গ্যালাক্টিক বা অন্যান্য বিমান প্রস্তুতকারক সংস্থা। গত মাসে স্বয়ং নিজের সংস্থার রকেটে করে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছেন ব্র্যানসন। আর ব্লু অরিজিনের নিজস্ব রকেটে সেই একই পথ ধরেছিলেন বেজোসও। ইলনেরও মহাকাশে যাওয়া প্রায় পাকা। তবে নিজের সংস্থার রকেট নয়, তিনি যেতে পারেন ভার্জিনের রকেটে চেপে। এই অবস্থায় যে সংস্থা নিরাপদে এবং কম খরচে মহাকাশে নিয়ে যেতে পারবে, মানুষ অজানার লক্ষ্যে পাড়ি দেওয়ার জন্য বেছে নেবে তাদেরই। যা সেই সংস্থার ভবিষ্যতের গতিপথ নির্ধারণ করবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy