গত ফেব্রুয়ারিতে এমপ্লয়িজ স্টেট ইনশিওরেন্স কর্পোরেশনের (ইএসআইসি) প্রকল্পে নতুন সদস্যের সংখ্যা কমেছে ১.৭%। দাঁড়িয়েছে ১৫.০৩ লক্ষে। যাঁদের মধ্যে ২.৩৪ লক্ষ মহিলা। আর ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হিসেব অনুসারে, প্রায় ৩ কোটি নতুন সদস্য যোগ দিয়েছেন এই প্রকল্পে। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে কর্মী প্রফিডেন্ট ফান্ডের (ইপিএফ) হিসেব বলেছিল, ফেব্রুয়ারিতে নিট হিসেবে তাদের সদস্য সংখ্যা বেড়েছে ৮.৬১ লক্ষ।

ইপিএফের তথ্যকেই নতুন চাকরি তৈরির পরিসংখ্যান বলে দাবি করে নরেন্দ্র মোদী সরকার। বিশেষজ্ঞদের একাংশ এবং বিরোধীদের বক্তব্য, এর এর মধ্যে অসংগঠিত ক্ষেত্র থেকে সংগঠিত ক্ষেত্রে আসা গ্রাহকেরাও থাকেন। সে কারণে কেন্দ্রের নতুন চাকরি তৈরির এই দাবি ঠিক নয়।

তেমনই অনেকের আবার প্রশ্ন, নির্দিষ্ট অঙ্ক পর্যন্ত (মাসে ২১,০০০ টাকা) বেতন হলে তবেই ইএসআই প্রকল্পে নাম লেখানো যায়। ফলে কেউ বেশি বেতনে চাকরিতে যোগ দিলে তাঁর নাম ইএসআইয়ের তালিকায় থাকবে না। আবার কারও বেতন বেড়ে গেলে, তিনি এই প্রকল্প থেকে বেরিয়ে যাবেন। ফলে এই পরিসংখ্যানের মাধ্যমেও দেশে কর্মসংস্থানের ঠিক ছবি পাওয়া সম্ভব নয়।