দেশে অতিবৃষ্টিতে পাটের ফলন কমা ও বাংলাদেশ থেকে পণ্যটি আসা বন্ধ হওয়ায় তার আকাল দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় কাঁচা পাটের দাম নিয়ন্ত্রণে বেসরকারি ব্যবসায়ীদের তা কেনাবেচায় নিষেধাজ্ঞা জারি করতে কেন্দ্রকে চিঠি দিল চটকল মালিকদের সংগঠন আইজেএমএ। চেয়ারম্যান রাঘবেন্দ্র গুপ্ত জানান, কাঁচা পাটের পুরোটাই জুট কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া কিনে চটকলগুলিতে সরবরাহ করুক। লক্ষ্য তা যেন ফড়েদের হাতে না যায়।
চলতি মরসুমে কাঁচা পাটের দাম কুইন্টালে ১৪,০০০ টাকা ছোঁয়ায় সমস্যায় চটকলগুলি। পাটের অভাবে খাদ্যশস্য রাখার চটের বস্তা উৎপাদন কমেছে। পাট শিল্প সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ১০টির মতো চটকল বন্ধ হয়েছে। কাজ গিয়েছে প্রায় ৭৫,০০০ কর্মীর। বাকিগুলিতেও পুরো সময় কাজ হচ্ছে না। আরও মিল বন্ধের আশঙ্কা। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র খাদ্যশস্য রাখতে প্লাস্টিকের বস্তা কেনার পরিকল্পনা করেছে। যা পাট শিল্পের কাছে অশনি সঙ্কেত।
তবে বাজারে কাঁচা পাটের এত দাম হলেও চাষিরা সেই দাম পাননি। বনগাঁ ব্লকের পাটচাষি সুদীপ মণ্ডল বলেন, ‘‘এ বছর কুইন্টালে পাট বিক্রি করেছি সর্বোচ্চ ৮০০০ টাকায়। যে হেতু ওই দাম কেন্দ্রের ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের থেকে অনেক বেশি ছিল, তাই ফড়েদের কাছেই বিক্রি করেছি। তারাই তা মজুত করে দাম বাড়িয়েছে।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)