বাজারে নগদের জোগান এবং তার হাত ধরে  চাহিদা বাড়িয়ে অর্থনীতিতে গতি আনাই এখন কেন্দ্রের অন্যতম লক্ষ্য। সেই কারণেই বাড়ি, গাড়ি, শিক্ষার মতো খুচরো ঋণ এবং ছোট শিল্পের ঋণকে সহজলভ্য করতে দেশের ৪০০টি জেলায় ঋণ মেলা করার জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে তারা। সোমবার অর্থ সচিব রাজীব কুমার এ কথা জানিয়ে বলেন, সেই কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে ব্যাঙ্কের শাখা এবং বিভিন্ন শিবির থেকে ৮১,৭৮১ কোটি টাকার ঋণ বিলি হয়েছে। এর মধ্যে নতুন মেয়াদি ঋণের পরিমাণ ৩৪,৩৪২ কোটি। কুমার বলেন, ‘‘ঋণ যে পাওয়া যাচ্ছে, মানুষকে সেই বার্তা দেওয়াই এই কর্মসূচির লক্ষ্য। আমরা মনে করছি প্রথম পর্যায়ে সেই বার্তা দেওয়া গিয়েছে।’’ তবে তিনি জানান, নথি থাকলেই ঋণ পাওয়া সম্ভব। 

এ দিন দিল্লিতে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির সিইওদের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এবং অর্থ সচিব। পরে নির্মলা জানান, ব্যাঙ্কগুলির হাতে নগদ আছে। ফলে ঋণ দিতে সমস্যা হবে না। সেই ক্ষমতা বাড়াতে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিতে ৫৫,০০০ কোটি টাকার পুঁজি ঢেলেছে কেন্দ্রও। ব্যাঙ্ক নয় এমন আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফসি) এবং গৃহঋণ সংস্থাগুলিকেও সাহায্য করবে ব্যাঙ্কগুলি।

উল্লেখ্য, এনবিএফসিগুলিকে শক্তিশালী করার জন্য তাদের ভাল সম্পদে পুঁজি ঢালতে বলা হয়েছে ব্যাঙ্কগুলিকে। এ দিন সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইএল অ্যান্ড এফএস কাণ্ডের পরে এনবিএফসিগুলিকে যথেষ্ট নগদ সরবরাহ করেছে ব্যাঙ্কগুলি। এর মধ্যে যেমন ঋণ রয়েছে, তেমনই রয়েছে তাদের ভাল প্রকল্পে টাকা ঢালাও। 

এ দিন কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, দেওয়ালির আগে ২১ থেকে ২৫ অক্টোবর দ্বিতীয় পর্যায়ের ঋণ মেলা হবে। ১৫০টি জেলায় এই কর্মসূচিতে এনবিএফসিগুলিও যোগ দেবে।