E-Paper

ফেব্রুয়ারি থেকে কমেছে ১২৫ বেসিস পয়েন্ট, ঋণে সুদের হার স্থির করতে বৈঠকে ঋণনীতি কমিটি

মূল্যবৃদ্ধির হার তলানিতে ঠেকায় গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে মোট ১২৫ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট (ব্যাঙ্কগুলিকে যে সুদে ধার দেয় তারা) কমিয়েছে আরবিআই। শেষ বার কমেছিল গত ডিসেম্বরে, ২৫ বেসিস পয়েন্ট।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:০৩

—প্রতীকী চিত্র।

সুদের হার ঠিক করার জন্য বুধবার থেকে বৈঠকে বসছে রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের ঋণনীতি কমিটি। আরবিআই গভর্নর সঞ্জয় মলহোত্রের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের ওই কমিটি সিদ্ধান্ত জানাবে আগামী কাল, শুক্রবার। শিল্প এবং সাধারণ ঋণগ্রহীতারা সুদের হার আরও কমার আশায় বসে। তবে বিশেষজ্ঞদের দাবি, এখনই হয়তো আর তা কমবে না।

মূল্যবৃদ্ধির হার তলানিতে ঠেকায় গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে মোট ১২৫ বেসিস পয়েন্ট রেপো রেট (ব্যাঙ্কগুলিকে যে সুদে ধার দেয় তারা) কমিয়েছে আরবিআই। শেষ বার কমেছিল গত ডিসেম্বরে, ২৫ বেসিস পয়েন্ট। তার হার নেমেছে ৫.২৫ শতাংশে। এর জেরে বিভিন্ন ব্যাঙ্কে কমেছে ঋণের সুদ। আরবিআই চায় পুরো সুবিধাটা বাজারে পৌঁছে দেওয়া হোক। তবে সুদ যে আরও কমবে, গত ঋণনীতিতে তার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মলহোত্র। কিন্তু এর মধ্যে অনেক কিছু ঘটে গিয়েছে। অবাধ বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে। আমেরিকার সঙ্গে চূড়ান্ত হয়েছে বাণিজ্য চুক্তি। কমেছে শুল্ক। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, অর্থনীতিতে এ সবের প্রভাব খতিয়ে না দেখে সুদে হাত দেবে না আরবিআই।

পটনা আইআইটির অর্থনীতির অধ্যাপক রাজেন্দ্র পরামানিক বলেন, ‘‘বর্তমান পরিস্থিতি সুদ কমানোর উপযোগী হলেও, শীর্ষ ব্যাঙ্ক হয়তো কমাবে না। বিশেষত আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির অন্যতম শর্ত ভারত রুশ তেল কেনা বন্ধ করবে। মূল্যবৃদ্ধির নিরিখে যা গুরুত্বপূর্ণ। এতেও চোখ রাখবে তারা।’’ আইসিএআই-এর পূর্বাঞ্চলের প্রাক্তন চেয়ারম্যান অনির্বাণ দত্তের মতে, এ বার বাজেট সংস্কারমুখী হয়েছে। সব প্রস্তাব দীর্ঘ মেয়াদের জন্য নেওয়া। অর্থাৎ বুঝেশুনে ধীরে চলার বার্তা স্পষ্ট। রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কও সেই পথ অনুসরণ করতে পারে। কারণ, সুদ কমাতে তাদের উপরে কোনও চাপ বা তাড়া নেই। বরং বাণিজ্য চুক্তিগুলি কতটা কী সুবিধা দেয়, তা যাচাই করে এগোবে তারা। একাংশের দাবি, নগদের জোগান বাড়ানোয় জোর দেওয়া হতে পারে।

পরিস্থিতি

রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক মোট ১২৫ বেসিস পয়েন্ট সুদ ছেঁটেছে।

মূল্যবৃদ্ধি তলানিতে নামায় এবং আর্থিক বৃদ্ধি মাথা তোলায় এখনই ফের কমানোর তাড়া নেই।

তাদের ছাঁটাইয়ের পুরোটা বাজারে না পৌঁছনো পর্যন্ত সুদ স্থির রাখা হতে পারে।

ফের সুদ ছাঁটার আগে ইইউ এবং আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির প্রভাব খতিয়ে দেখবে তারা।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

RBI Loan

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy