বিনিয়োগের জন্য তহবিল জোগাড়ে জোর দিতে চাইছে কেন্দ্র। তারই কৌশল হিসেবে বাজেটে বন্ড ছেড়ে বিদেশি মুদ্রায় তহবিল সংগ্রহের প্রস্তাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। যদিও অর্থনীতিবিদদের একাংশের যুক্তি, ডলারের দাম আচমকা বেড়ে ঋণ শোধের অঙ্ক বৃদ্ধি পেলে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। মঙ্গলবার কলকাতায় ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্সের বার্ষিক সভার শেষে অর্থ মন্ত্রকের প্রিন্সিপাল আর্থিক বিষয়ক উপদেষ্টা সঞ্জীব সান্যাল জানান, ঝুঁকির বিষয়টি সরকারের মাথায় রয়েছে। বিদেশ থেকে নেওয়া ঋণের অঙ্ক খুব বড় হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সঞ্জীববাবু আরও জানান, বিদেশে বন্ডের সুদ কত হবে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সে ব্যাপারে নীতি চূড়ান্ত করবে কেন্দ্র।

বিদেশে বন্ডের বিরোধিতা না করলেও তাড়াহুড়ো না করে সাবধানে পা ফেলার পক্ষে মত দিয়েছেন নীতি আয়োগের প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান অরবিন্দ পানাগড়িয়া। এ দিন সভার শেষে তাঁর বক্তব্য, গত সাত-আট বছর ধরে যে ভাবে ধাপে ধাপে মূলধনী ক্ষেত্র খোলা হয়েছে, ভবিষ্যতেও সে ভাবেই এগোনো উচিত।

সভায় নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান রাজীব কুমার এবং সঞ্জীববাবু জানান, ভারতে সুদের হার বেশি হওয়ায় শুধু বেসরকারি ক্ষেত্রই নয়, সমস্যায় রয়েছে কেন্দ্রও। সঞ্জীববাবু বলেন, ‘‘এখন মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে। এটাই সুদের হার কমানোর উপযুক্ত সময়।’’ রাজীব জানান, কেন্দ্রের এমন কিছু সম্পত্তি রয়েছে যেগুলি বিক্রি করে বা লিজ দিয়ে বিলগ্নিকরণের লক্ষ্যমাত্রার একাংশ পূরণ সম্ভব। এর মধ্যে গল্ফ কোর্স, ক্লাব, গেস্ট হাউসও রয়েছে।

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও।সাবস্ক্রাইব করুনআমাদেরYouTube Channel - এ।