E-Paper

কাঁচামালের অভাবের দোসর উৎপাদন বৃদ্ধির চাপ, বন্ধ হচ্ছে একের পর এক চটকল

পশ্চিমবঙ্গের চট শিল্পের বিরুদ্ধে কেন্দ্র চক্রান্ত করছে, এই অভিযোগ তুলে আজ, শুক্রবার থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত চটকলের গেটে প্রতিবাদ সভার ডাক দিয়েছে আইএনটিটিইউসি অনুমোদিত ‘অল বেঙ্গল তৃণমূল জুট অ্যান্ড টেক্সটাইল ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন’।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ জানুয়ারি ২০২৬ ০৬:২৪

—প্রতীকী চিত্র।

এক দিকে উৎপাদন বাড়ানোর চাপ, অন্য দিকে কাঁচামালের অভাব— এই দুইয়ের জাঁতাকলে পড়ে একের পর এক বন্ধ হচ্ছে গঙ্গাপারের চটকল। কর্মহীন হয়েছেন কয়েক হাজার শ্রমিক।

পশ্চিমবঙ্গের চট শিল্পের বিরুদ্ধে কেন্দ্র চক্রান্ত করছে, এই অভিযোগ তুলে আজ, শুক্রবার থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত চটকলের গেটে প্রতিবাদ সভার ডাক দিয়েছে আইএনটিটিইউসি অনুমোদিত ‘অল বেঙ্গল তৃণমূল জুট অ্যান্ড টেক্সটাইল ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন’। বৃহস্পতিবার চট শিল্পের সঙ্কটের কথা কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী গিরিরাজ সিংহের কাছে লিখিত ভাবে জানিয়েছেন আইএনটিটিইউসি-র রাজ্য সভাপতি তথা তৃণমূল সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, ‘‘৪০% পাট আমদানি হত বাংলাদেশ থেকে। তা বন্ধ। আমাদের দেশেও পাট উৎপাদনে ঘাটতি ছিল। যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে চটকলগুলিতে।’’

এর মধ্যে খাদ্যশস্য রাখার জন্য চটের বস্তার জোগানে টান পড়ায় কেন্দ্র প্লাস্টিকের বস্তা ব্যবহারের অনুমোদন দিতে পারে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি। ঋতব্রতের দাবি, “পাট চাষিরাও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। সরকারের নিজস্ব খাদ্যশস্য সংগ্রহ ব্যবস্থাও ‘প্যাকেজিং’-সঙ্কটে পড়েছে।”

অতি সম্প্রতি ব্যারাকপুরে পর পর বন্ধ হয়েছে চারটি চটকল। জেজেআই, অ্যালায়েন্স, এম্পায়ারের মতো বড় চটকল মুখ থুবড়ে পড়ায় শ্রমিকেরা কাজ হারানোর আতঙ্কে ভুগছেন। রামপ্রসাদ সাউ, ধনেশ্বর রজক, ইসমাইল হোসেনের মতো প্রবীণ শ্রমিকেরা বলছেন, ‘‘আমরা কয়েক হাজার শ্রমিক সঙ্কটে। এই বয়সে অন্য কাজ পাওয়া ও করা অসম্ভব। আধপেটা খেয়ে থাকছি এখন।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Jute Ritabrata Banerjee

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy