এ বার ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে (এনএসই) কিছু ব্রোকারকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার ঘটনাতেও জড়াল প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমের নাম। এই ঘটনাকে ‘বড় মাপের আর্থিক প্রতারণা’ বলে দাবি করেছেন ন্যাশনাল স্পট এক্সচেঞ্জের (এনএসইএল) প্রাক্তন কর্ণধার জিজ্ঞেস শাহ। এই প্রসঙ্গে চিদম্বরমের ভূমিকা তদন্ত করে দেখার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে নিজের এক্সচেঞ্জের ব্যবসা নষ্ট হওয়ার জন্যও সরাসরি চিদম্বরমকে দায়ী করেছেন শাহ। 

দেশে-বিদেশে ১৪টি এক্সচেঞ্জ তৈরি করেছিলেন জিজ্ঞেস। তাঁর এফটি গোষ্ঠীর এনএসইএলে ৫,৬০০ কোটি টাকা তছরুপের ঘটনা সামনে আসার পরে সমস্ত ব্যবসাই ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। গত ছ’বছর ধরে ওই পুরো অর্থ খুঁজে বার করা ও তা আদায়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শাহ। তিনি লন্ডনে পালিয়ে যাননি জানিয়ে জিজ্ঞেসের দাবি, কেন্দ্র ও তদন্তকারী সংস্থাগুলি সাহায্য করলে এখনও পুরো টাকা উদ্ধার করা সম্ভব।

এই প্রসঙ্গেই চিদম্বরমকে তোপ দেগে শাহের অভিযোগ, এনএসইএল কাণ্ড সামনে আসার আগে পুরোদস্তুর স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে কাজের লাইসেন্স পায় এমসিএক্স-এসএক্স। কিন্তু ‘পছন্দের’ এনএসই-কে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য তাঁকে নিশানা করেন চিদম্বরম। জিজ্ঞেসের দাবি, অনেক আগেই তছরুপের টাকা উদ্ধার করা যেত। কিন্তু তখন অর্থ মন্ত্রকের সিদ্ধান্তের জেরেই তা করা যায়নি। উল্টে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

এই অভিযোগ এনেই কেন্দ্রকে এনএসইতে চিদম্বরমের স্বার্থ খতিয়ে দেখার আর্জি জানিয়েছেন শাহ। বলেছেন, কিছু ব্রোকারকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার মাধ্যমে সেকেন্ডে কোটি কোটি টাকা বেআইনি মুনাফা সম্ভব। উল্লেখ্য, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই পদ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন এনএসই-র বেশ কয়েক জন কর্তা।