Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৬ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

দাম বাড়াতে রকেট গতি, কমাতে শামুক

সম্প্রতি প্রায় প্রতিদিন দেশে জ্বালানির দর বেশ খানিকটা করে কমার মধ্যেও মোদী সরকারের দিকে এ বার এই নতুন আক্রমণ শানাতে শুরু করলেন বিরোধীরা। 

প্রেমাংশু চৌধুরী
নয়াদিল্লি ২৩ নভেম্বর ২০১৮ ০২:২১
Save
Something isn't right! Please refresh.
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

Popup Close

বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দাম কিছুটা বাড়লেই ভারতে পেট্রল, ডিজেলের দর বাড়ে হুড়মুড়িয়ে। অথচ হালে অশোধিত তেলের দাম দ্রুত পড়লেও, এ দেশে তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দাম কমছে না পেট্রল-ডিজেলের। সম্প্রতি প্রায় প্রতিদিন দেশে জ্বালানির দর বেশ খানিকটা করে কমার মধ্যেও মোদী সরকারের দিকে এ বার এই নতুন আক্রমণ শানাতে শুরু করলেন বিরোধীরা।

বিশ্ব বাজারে তেলের দাম কমার এই সুযোগে অবশ্য কোষাগারের হাল ভাল করে নিতে চায় অর্থ মন্ত্রক। ফলে বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দর দ্রুত পড়লেও, পেট্রল-ডিজেলের দাম এখনই সেই গতিতে কমার সম্ভাবনা নেই বলেই মন্ত্রক সূত্রের খবর। তা সে যতই ডলারের দর মাত্র সাত দিনে ২২০ পয়সা পড়ুক।

২ অক্টোবর অশোধিত তেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলে ছিল ৮৫.৬৩ ডলার। ২০ নভেম্বর তা নেমেছে ৬৩.৬৫ ডলারে। কমেছে প্রায় ২২ ডলার। অথচ সেই সময়ে পেট্রল ও ডিজেলের দর লিটারে কমেছে যথাক্রমে প্রায় ৭ ও ৪ টাকা করে।

Advertisement



এখানেই মোদী সরকারকে নিশানা করছেন বিরোধীরা। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরির যুক্তি, ‘‘অশোধিত তেলের দাম ৩০% কমলেও, পেট্রল-ডিজেলের দর মাত্র ১০% কমেছে। নরেন্দ্র মোদী অর্থনীতির কোমর ভেঙে দিয়ে এখন গরিবের উপর বোঝা চাপাচ্ছেন।’’ কংগ্রেস নেত্রী সুস্মিতা দেবের অভিযোগ, ‘‘বিনামূল্যে রান্নার গ্যাসের সংযোগ, সিলিন্ডার দেওয়ার প্রচার হচ্ছে। অথচ রান্নার গ্যাসের দাম এত বেড়েছে যে, গরিবরা দ্বিতীয় সিলিন্ডার কিনতে পারছেন না।’’

সরকারি সূত্রের বক্তব্য, লোকসভা ভোটের আগে খরচ বাড়বে। কিন্তু রাজকোষ ঘাটতি ও চালু খাতে বিদেশি মুদ্রার লেনদেনের ঘাটতি চিন্তার কারণ। অর্থ মন্ত্রকের কর্তাদের আশা, অশোধিত তেলের পড়তি দামের সুযোগে বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের ওই ঘাটতি কিছুটা সামাল দেওয়া যাবে।

তা ছাড়া, জিএসটি থেকে আয় আশানুরূপ না হওয়ায় রাজকোষ ঘাটতি লাগামছাড়া হওয়ার আশঙ্কা। তাকে জিডিপির ৩.৩ শতাংশে বেঁধে রাখতে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে কেন্দ্রকে। অথচ অক্টোবরে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের কথা মাথায় রেখে এক বার উৎপাদন শুল্ক দেড় টাকা কমাতে হয়েছে। সরকারি তেল সংস্থাগুলিকে আরও ১ টাকা দাম কমানোর দায় নিতে হয়েছিল। এর উপর লোকসভা ভোটের আগে অশোধিত তেলের দাম আরও বাড়লে চাপ বাড়ত ফের শুল্ক ছাঁটাইয়ের। সে দিক থেকে অশোধিত তেলের দাম কমা কিছুটা হলেও নিশ্চিন্ত করতে পারে অর্থ মন্ত্রককে।



Something isn't right! Please refresh.

Advertisement