ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহ দিতে আরটিজিএস এবং নেফ্‌ট পরিষেবায় তাদের চার্জ প্রত্যাহার করছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। অনেকের আশা, এতে ওই পরিষেবার খরচ কিছুটা কমবে। একই সঙ্গে এটিএম পরিষেবার খরচ খতিয়ে দেখতে কমিটিও গড়ছে শীর্ষ ব্যাঙ্ক। 

এমনিতে আরটিজিএস এবং নেফ্‌ট পরিষেবায় ন্যূনতম চার্জ নেয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তা ধরে গ্রাহকদের থেকে সার্বিক খরচ নেয় ব্যাঙ্ক। যেমন, স্টেট ব্যাঙ্ক নেফ্‌টে ১-৫ টাকা এবং আরটিজিএসে ৫-৫০ টাকা চার্জ নেয়। লেনদেনের অঙ্ক অনুযায়ী ব্যাঙ্কগুলি সর্বোচ্চ কত টাকা নিতে পারে, তা নির্দিষ্ট করে দিয়েছে আরবিআই। তবে শীর্ষ ব্যাঙ্ক কত চার্জ নেয়, তা স্পষ্ট নয়। বৃহস্পতিবার ঋণনীতিতে নিজেদের সেই খরচই তোলার কথা জানিয়েছে তারা।

ব্যাঙ্কিং শিল্পের খবর, মোট খরচের মধ্যে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের অংশ কমই থাকে। তা সত্ত্বেও এই সিদ্ধান্তে লেনদেন খরচ কিছুটা কমার কথা।

নেফ্‌ট কী


নেটে লেনদেনের ব্যবস্থা।
পুরো নাম ন্যাশনাল ইলেকট্রনিক ফান্ডস ট্রান্সফার।
এই ব্যবস্থায় ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেন করা যায়।


আরটিজিএস কী


পুরো নাম রিয়েল টাইম গ্রস সেট্‌লমেন্ট সিস্টেম।
অনলাইনে ২ লক্ষ বা তার বেশি টাকার লেনদেনে এই ব্যবস্থা ব্যবহার হয়।


আজ কী হল


নেট লেনদেনে উৎসাহ দিতে তোলা হল আরটিজিএস 
এবং নেফ্‌টে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের চার্জ।
শীঘ্রই এ নিয়ে ব্যাঙ্কগুলির জন্য নির্দেশিকা জারি হবে।
এটিএম লেনদেনের চার্জ-সহ বিভিন্ন খরচ খতিয়ে দেখতে কমিটি।

মোদী সরকারের প্রথম দফায় নোটবন্দির পরে ডিজিটাল লেনদেনে জোর দিয়েছিল কেন্দ্র। সেই সময়ে তাতে উৎসাহ দিতে খরচ কমানো-সহ নানা পদক্ষেপ করে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তখন নেট লেনদেন বাড়লেও, পরে আবার নগদের চল বেড়েছে। তাই অনেকের মতে, এই পদক্ষেপ শুধু শীর্ষ ব্যাঙ্কের নিজেদের জন্যই নয়, বরং বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিকেও বার্তা। যাতে তারা মানুষকে নেট লেনেদেনে উৎসাহ দিতে খরচ কমানোর পথে হাঁটে।