এক দিকে, খুচরো বাজারের মূল্যবৃদ্ধি সেপ্টেম্বরে আরও কিছুটা বেড়ে পৌঁছল ৩.৯৯ শতাংশে। যা গত ১৪ মাসে সব থেকে বেশি। অন্য দিকে, ওই মাসেই পাইকারি বাজারে সেই হার নেমে গিয়েছে তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে নীচে। দাঁড়িয়েছে ০.৩৩ শতাংশে।

সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সুদ কমানোর ক্ষেত্রে খুচরো মূল্যবৃদ্ধিকেই প্রাধান্য দেয় বেশি। তা নিয়ন্ত্রণে থাকায় ইতিমধ্যেই টানা পাঁচ বার সুদ কমিয়ে বাজারে চাহিদা বাড়ানোর চেষ্টা করেছে তারা। কিন্তু এ বার যদি এই ভাবে সেই মূল্যবৃদ্ধি মাথাচাড়া দিতে শুরু করে, তা হলে সেই সুযোগও আর কত দিন থাকবে, উঠতে শুরু করছে প্রশ্ন। অথচ অর্থনীতিতে প্রাণ ফেরাতে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের আরও সুদ কমানোর দিকেই সাগ্রহে এখন তাকিয়ে আছে কেন্দ্র এবং শিল্প মহল। তবে খুচরো মূল্যবৃদ্ধির হার বাড়লেও, তা এখনও আরবিআইয়ের নির্ধারিত সীমার মধ্যেই রয়েছে।

সোমবার প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানে দাবি, খুচরো ও পাইকারি, দুই বাজারের দু’দিকে যাওয়ার পেছনেই হাত আছে খাদ্যপণ্যের। জ্বালানি ও বিদ্যুতের পাশাপাশি ফলের দাম নেমে আসায় পাইকারি মূল্যবৃদ্ধি কমেছে। কিন্তু পেঁয়াজ, ডাল-সহ সার্বিক ভাবে খাদ্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী দাম উপরের দিকে ঠেলে তুলেছে খুচরো বাজারে মূল্য সূচকের পারাকে।

হিসেব বলছে, পাইকারি বাজারে ফলের দাম কমলেও, পেঁয়াজ-সহ আনাজের দাম বেড়েছে। ফলে আলাদা করে দেখলে সেখানেও খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সেপ্টেম্বরে চড়াই। দাঁড়িয়ে ৭.৫ শতাংশে। আর খুচরো বাজারে শুধু আনাজের ক্ষেত্রেই সেই হার এক লাফে বেড়ে হয়েছে ১৫.৪০%। সব মিলিয়ে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি হার সেখানে ৫.১১%। বিশেষজ্ঞদের দাবি, বিভিন্ন রাজ্যে বন্যাই এর জন্য দায়ী।