বছর ঘুরলেই লোকসভা ভোট। সে দিকে নজর রেখে শনিবার স্যানিটারি ন্যাপকিনে কর ছাড় দেওয়ার পাশাপাশি প্রায় ১০০টি পণ্যে কর কমাল জিএসটি পরিষদ। সরল হল রিটার্ন জমার নিয়মও। অর্থমন্ত্রী পীযূষ গয়ালের দাবি, এতে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক বৃদ্ধির পথ খুলবে। পরে তাঁর টুইট, ‘‘দরিদ্র, মহিলা, কৃষক, প্রবীণ, সকলের হাতেই বাড়তি অর্থ তুলে দেওয়া হয়েছে।’’ নজর ২০১৯-এই।

গোড়া থেকেই ন্যাপকিনকে করমুক্ত করার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহলে। এ নিয়ে সওয়াল করেন অসমের কংগ্রেস সাংসদ সুস্মিতা দেব। প্রশ্ন ছিল, যেখানে সিঁদুরে কর শূন্য, সেখানে মহিলাদের স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি পণ্যে কেন ১২% কর বসানো হবে? এ বিষয়ে অরুণ জেটলির দাবি ছিল, কর শূন্যে নামিয়ে আনলে, বাজারের দখল নেবে বহুজাতিকগুলি। মার খাবে ন্যাপকিন বানানো বিভিন্ন অসরকারি সংস্থা এবং ছোট সংস্থাগুলি। কিন্তু সব কিছুর পরেও এ দিন পিছু হঠল কেন্দ্র।

 

বস্ত্র শিল্পকে কাপড় কিনতে আগে মেটানো কর ফেরতের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। বছরে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যবসা করা সংস্থা তিন মাসে একটি রিটার্ন দিতে পারবে। উত্তর-পূর্বের একাংশ ও বেশ কয়েকটি পাহাড়ি রাজ্যে বাধ্যতামূলক নথিভুক্তির সীমা বাড়িয়ে ২০ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ, ব্যবসার অঙ্ক তার কম হলে, জিএসটিতে নাম না লেখালেও চলবে। অনেকের মতে, ইথানলে কর কমায় পেট্রল, ডিজেলের দাম নামতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারিতে কর কমার ফলে চাহিদা বাড়বে বৈদ্যুতিক গাড়ির।