• সংবাদ সংস্থা
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

ভর্ৎসনার মুখে ‘ডেস্ক অফিসার’

sc
ফাইল চিত্র।

শুক্রবার টেলিকম সংস্থাগুলির বকেয়া না-মেটানো নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়লেন যে ‘ডেস্ক অফিসার’, তিনি মন্দার দেশপাণ্ডে। কেন্দ্রের অ্যাকাউন্টিং ও আর্থিক পরিষেবা অফিসার। শীর্ষ আদালতের তোপ, তারা সময়সীমা নির্দিষ্ট করা সত্ত্বেও ওই অফিসার সংস্থাগুলিকে বকেয়া টাকা মেটাতে বাড়তি সময় দিলেন কোন অধিকারে? মন্দারের যদিও দাবি, টেলিকম দফতরের (ডট) সদস্যের (ফিনান্স) সায় মেলার পরেই এই নির্দেশ জারি করেছিলেন তিনি।

অক্টোবরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, বকেয়া লাইসেন্স ফি ও স্পেকট্রাম ব্যবহারের চার্জ-সহ কেন্দ্রের প্রাপ্য বকেয়া তিন মাসের মধ্যে মেটাতে হবে ভোডাফোন আইডিয়া, এয়ারটেল-সহ সব টেলি সংস্থাগুলিকে। সেই অনুযায়ী সময়সীমা দাঁড়ায় ২৩ জানুয়ারি। মেটানোর কথা ছিল মোট ১.৪৭ লক্ষ কোটি। কিন্তু ওই ২৩ জানুয়ারিই ডটের তরফে জারি এক নির্দেশে বলা হয় শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট এই সময়ের মধ্যে বকেয়া দিতে কাউকে যেন জোর না-করা হয়। কেউ তা জমা করতে না-পারলেও যেন তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কোনও পদক্ষেপ করা না-হয়। সংবাদ সংস্থার দাবি, সরকারি ভাবে এই নির্দেশের যে কপি সামনে এসেছে, তা পাঠিয়েছিলেন দেশপাণ্ডে।

আদালত অবশ্য আজ কোনও অফিসারের নাম নেয়নি। তবে ভর্ৎসনা করে বলেছে, টেলিকম দফতরের এক অফিসারের এত ঔদ্ধত্য হয় কী করে! এটা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ লঙ্ঘন ও তার উপরে স্থগিতাদেশ দেওয়ার চেষ্টা। ওই অফিসারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার প্রক্রিয়া চালুর হুঁশিয়ারিও দিয়েছে শীর্ষ আদালত। বলেছে, ১৭ মার্চ পরের শুনানিতে, তাঁকে এর জবাব
দিতে হবে। এ দিন অবশ্য পরে ডটের আর এক ডিরেক্টর, মন্দারের দফতরেরই অঙ্কুর কুমারের জারি করা নির্দেশে বলা হয়েছে, ‘‘২৩ জানুয়ারির নির্দেশ অবিলম্বে ফেরানো হল।’’

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন