Advertisement
E-Paper

ইরানের নতুন নেতারা আমেরিকার সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান! দাবি ট্রাম্পের, তেহরান এখনও দিচ্ছে প্রতিশোধের হুঙ্কার

রবিবারই ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বে দায়িত্বে এসেছে তিন সদস্যের অন্তর্বর্তী পরিষদ। এই পরিষদে রয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজ়েশকিয়ান, ধর্মীয় নেতা আলিরেজা আরাফি এবং সে দেশের প্রধান বিচারপতি গোলাম হোসেন মোহসেনি।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬ ২২:৫২
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। —ফাইল চিত্র।

ইরানের নতুন নেতারা আমেরিকার সঙ্গে আলোচনায় বসতে চেয়েছেন। রবিবার এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, আলোচনায় বসার জন্য তিনিও রাজি হয়েছেন। যদিও কোনও নেতার নামোল্লেখ করেননি ট্রাম্প। ঘটনাচক্রে, রবিবারই ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব পরিষদ গঠিত হয়েছে। ওই তিন সদস্যের পরিষদের দিকেই ট্রাম্প ইঙ্গিত করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

‘অ্যাটলান্টিক’ সাময়িকীকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “ওঁরা কথা বলে চান। আমিও কথা বলতে রাজি হয়েছি। আমি ওঁদের সঙ্গে কথা বলব। ওঁদের এটা আরও আগে করা উচিত ছিল। যেটা বাস্তবসম্মত এবং সহজেই সেরে ফেলে যায়, সেটা তাঁদের আরও আগে করে নেওয়া উচিত ছিল। ওঁরা অনেক ক্ষণ অপেক্ষা করেছিল।” রবিবার বেশ কিছু মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেন তিনি। ‘ফক্স নিউজ়’কে ট্রাম্প বলেন, এই সামরিক অভিযানের সময়ে ইরানের ৪৮ জন নেতা নিহত হয়েছেন।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট যখন এই মন্তব্য করছেন, তখনও পশ্চিম এশিয়া জুড়ে এক উত্তেজনাময় পরিস্থিতি তৈরি হয়ে রয়েছে। ইরান বার বার ‘প্রতিশোধে’র কথা বলছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ান দাবি করেছেন, খামেনেই হত্যার বদলা নেবেই ইরান। একই সুর শোনা গিয়েছে ইরানের সামরিক কর্তাদের মুখেও। রবিবারই মার্কিন যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইরান। চারটি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে মারে মার্কিন রণতরীর দিকে। যদিও মার্কিন সেনার দাবি, তাদের রণতরী অক্ষতই রয়েছে। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের ধারেকাছে ঘেঁষতে পারেনি বলে দাবি আমেরিকার। অন্য দিকে, ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্র হানার কিছু ক্ষণ পরেই জানা যায়, ওমান উপসাগরের কাছে একটি ইরানি জাহাজ ধ্বংস করেছে মার্কিন সেনা। ইরাকেও মার্কিন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে।

খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে পশ্চিম এশিয়ায়। তবে এই যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই ট্রাম্পের দাবি নতুন নেতারা তাঁর সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছেন। রবিবারই ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের দায়িত্বে এসেছে তিন সদস্যের অন্তর্বর্তী পরিষদ। এই পরিষদে রয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজ়েশকিয়ান, ধর্মীয় নেতা আলিরেজা আরাফি এবং সে দেশের প্রধান বিচারপতি গোলাম হোসেন মোহসেনি। এত দিন খামেনেইয়ের হাতে একক ভাবে যে ক্ষমতা থাকত, পরবর্তী সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা বাছাই না হওয়া পর্যন্ত সেই ক্ষমতা থাকবে তিন সদস্যের এই পরিষদের উপরে।

Donald Trump Iran
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy