Advertisement
E-Paper

৩০টি বোমা ফেলা হয়েছিল খামেনেইয়ের ঠিকানা লক্ষ্য করে! কী ভাবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার হদিস পেল আমেরিকা, ইজ়রায়েল?

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানে খামেনেইয়ের ঠিকানার হদিস পাওয়ার পর সেটিকে চিহ্নিত করা হয়। তার পরই ইজ়রায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে সেই ঠিকানা লক্ষ্য করে বোমা বর্ষণ করা হয়েছিল।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬ ১৭:৩০
খামেনেইয়ের এই ঠিকানাতেই হামলা চালায় ইজ়রায়েল এবং আমেরিকা। ছবি: সংগৃহীত।

খামেনেইয়ের এই ঠিকানাতেই হামলা চালায় ইজ়রায়েল এবং আমেরিকা। ছবি: সংগৃহীত।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের ঠিকানা লক্ষ্য করে ৩০টি বোমাবর্ষণ করা হয়েছিল। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর প্রতিবেদনে এমনই দাবি করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানে খামেনেইয়ের ঠিকানার হদিস পাওয়ার পর সেটিকে চিহ্নিত করা হয়। তার পরই ইজ়রায়েলি যুদ্ধবিমান থেকে সেই ঠিকানা লক্ষ্য করে বোমা বর্ষণ করা হয়েছিল।

ওই প্রতিবেদনে এটাও বলা হয়েছে যে, ইজ়রায়েল এবং মার্কিন গোয়েন্দারা জানতেন ওই ঠিকানায় রাজনৈতিক নেতা এবং সেনাকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন খামেনেই। দীর্ঘ দিন ধরে সেই সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন দুই দেশের গোয়েন্দারা। অবশেষে শনিবার সেই সুযোগ আসে। আর তার পরই খামেনেইয়ের ঠিকানা লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইজ়রায়েল এবং আমেরিকা।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইজ়রায়েলের গোয়েন্দারা জানতে পেরেছিলেন শনিবার তিনটি ঠিকানায় সেনাকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন খামেনেই। সেই তিনটি ঠিকানাকে আগে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তার মধ্যে কোনটিতে খামেনেই রয়েছেন, সেটাও খুব নিখুঁত ভাবে চিহ্নিত করা হয়। তার পরই ওই ঠিকানায় হামলা চালানো হয়। মার্কিন প্রশাসনের এক সূত্রকে উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের কাছে খবর ছিল আমেরিকার বেশ কিছু ঠিকানায় হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে ইরান। সে দেশে হামলা চালানোর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্দেশ দিতে পারেন— এই আশঙ্কা করে আগেই পাল্টা হামলার পরিকল্পনা করে খামেনেই প্রশাসন। কিন্তু গোয়েন্দা সূত্রে সেই খবর আসতেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানে হামলার নির্দেশ দেন। তার পরই শনিবার তেহরানে একযোগে মুহুর্মুহু হামলা শুরু করে ইজ়রায়েল এবং আমেরিকা।

খামেনেই প্রশাসনের বেশ কয়েকটি দফতর গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ধ্বংস করা হয় ইরানের বেশ কয়েকটি সেনাঘাঁটিও। তার পরই জানা যায়, এই হামলায় নিহত হয়েছেন খামেনেই। প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসেরজাদা, কমান্ডার ইন চিফ মহম্মদ পাকপোর, খামেনেইয়ের কন্যা এবং নাতনি।

প্রসঙ্গত, শনিবার সকাল থেকেই ইরানে আক্রমণ শুরু করে ইজ়রায়েল এবং আমেরিকা। যৌথ বাহিনীর হামলায় মুহুর্মুহু বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন আছড়ে পড়ছিল তেহরান-সহ ইরানের বড় শহরগুলিতে। পাল্টা প্রত্যাঘাত করে ইরানের বাহিনীও। তারা শুধু ইজ়রায়েলে নয়, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলিকেও নিশানা করে।

Ayatollah Ali Khamenei Iran USA
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy