ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বা ভিপিএন-এর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের আইনি অধিকার তাদের হাতে নেই বলে টেলিকম বিভাগকে (ডট) জানিয়ে দিল টেলিকম ক্ষেত্রের নিয়ন্ত্রক ট্রাই। তাদের বক্তব্য, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনও জালিয়াতি কিংবা বেআইনি কাজকর্ম হচ্ছে কি না, সে ব্যাপারে কেন্দ্রীয় প্রযুক্তি মন্ত্রককেই নজরদারি চালাতে হবে। প্রসঙ্গত, ভিপিএন-এর নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিভিন্ন দিক নিয়ে ট্রাইয়ের মতামত জানতে চেয়েছিল ডট। উল্লেখ্য, ব্যবহারকারীর তথ্য সুরক্ষিত রেখে ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করে এই প্রযুক্তি। কিন্তু ইদানীং নিজেদের আড়াল করতে জালিয়াতেরাই তা ব্যবহার করছে।
টেলিকম নিয়ন্ত্রক জানিয়েছে, দেশের আইন অনুসারে ভিপিএন নেটওয়ার্কের ছাড়পত্র তারা দেয় না। ফলে এর নজরদারি কিংবা নিয়ন্ত্রণ কোনওটাই তাদের আওতাভুক্ত নয়। এই সংক্রান্ত অনুমোদন দেয় বৈদ্যুতিন ও প্রযুক্তি মন্ত্রক। ফলে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা রয়েছে একমাত্র তাদেরই হাতে। যদি আইন সংশোধন করে বিষয়টি ট্রাইয়ের আওতায় আনা হয়, তখনই তারা সেই দায়িত্ব পালন করতে পারবে। উল্লেখ্য, ভিপিএন ব্যবহার করে দেশে আর্থিক জালিয়াতি, ডিজ়িটাল গ্রেফতারির মতো বিভিন্ন ঘটনা ঘটছে। খোয়া গিয়েছে বড় অঙ্কের টাকা। যা উদ্বেগ বাড়িয়েছে সরকারের। সেই প্রেক্ষিতেই এই বিষয়ে ট্রাইয়ের মতামত জানতে চেয়েছিল ডট। ফোন কল কিংবা মেসেজের ক্ষেত্রে এই ধরনের নজরদারি বাড়ানোর ফলে গত কয়েক মাসে প্রতারণার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে বলে দাবি করেছে টেলিকম নিয়ন্ত্রক।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)