উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে তুলাইপাঞ্জি ধানের চাষ হয়। এ বার ওই চালের সরু সুগন্ধি ভাত মিলবে রায়গঞ্জ ও নিউ কোচবিহারের রেল কোচ রেস্তরাঁয়। সম্প্রতি রায়গঞ্জ স্টেশনে রেস্তরাঁটির উদ্বোধন করেন উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কাটিহার ডিভিশনের ডিআরএম কীরেন্দ্র নারা। সেখানেই তার দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাকে তুলাইপাঞ্জি চালের ভাত বিক্রির নির্দেশ দেন তিনি।
রেল সূত্রের খবর, রায়গঞ্জের রেস্তরাঁটির দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাই নিউ কোচবিহারের রেল কোচ রেস্তরাঁ চালায়। এখন উত্তরবঙ্গের মালবাজার ও জলপাইগুড়ি রোড স্টেশনেও তা তৈরি হচ্ছে। সংস্থার কর্ণধার প্রিয়ব্রত দুবে বলেন, ‘‘রায়গঞ্জ এবং নিউ কোচবিহার, দু’জায়গাতেই নির্দেশ মেনে তুলাইপাঞ্জির ভাত বিক্রি হবে।’’
কৃষি দফতর সূত্র বলছে, প্রতি বছর উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, ইটাহার, করণদিঘি ও দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমন্ডি ব্লক মিলিয়ে প্রায় ১১,০০০ হেক্টর জমিতে সাড়ে ১৬,০০০ টন মতো তুলাইপাঞ্জি ধানের ফলন হয়। তবে চাষিদের অভিযোগ, সরকারি উদ্যোগে তাঁদের থেকে এই ধান কেনা বা চাল বিক্রির ব্যবস্থা হয়নি। হাটে ফড়েদের কাছে সামান্য লাভে ধান বেচতে বাধ্য হন। তা একাধিক হাত ঘুরে চাল তৈরির পরে বাজারে কেজি প্রতি ২০০ টাকায় বিক্রি হয়। উত্তর দিনাজপুরের উপ-কৃষি অধিকর্তা প্রিয়নাথ দাস বলেন, ‘‘সরকারি উদ্যোগে তুলাইপাঞ্জি ধান কেনা এবং তার চাল বিক্রির বিষয়টি ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের এক্তিয়ারভুক্ত।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)