দেশে ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সিদের মধ্যে বেকারত্বের হার নভেম্বরে ছিল ৪.৭%। গত মাসে সামান্য বেড়ে হয়েছে ৪.৮%। বৃহস্পতিবার পরিসংখ্যান মন্ত্রকের কর্মী সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, গ্রাম ও শহর, কোথাও কর্মহীন মানুষের হার কমেনি। গ্রামে তা আটকে আগের ৩.৯ শতাংশে। শহরে ৬.৫% থেকে বেড়ে হয়েছে ৬.৭%। বিশেষজ্ঞদের মতে, গত মাসে খুচরো এবং পাইকারি মূল্যবৃদ্ধির হার সামান্য মাথা তুলেছে। অল্প বাড়ল বেকারত্বও। নতুন বছরে সেগুলি আরও চড়ে কি না, সেটাই দেখার।
এ দিনই নিয়োগ উপদেষ্টা টিমলিজ় এডটেক-এর এক রিপোর্টে দাবি, দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির বড় অংশ এখনও শিল্পের চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। পাঠ্যক্রমের যৌক্তিকতা সবচেয়ে বড় বাধা। শিল্পের প্রয়োজনের সঙ্গে সঙ্গতি নেই। ফলে পড়ুয়ারাও চাহিদা অনুসারে তৈরি হচ্ছেন না। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, বেকারত্বের অন্যতম কারণ এটা।
যদিও সরকারি হিসাবে দাবি, ভারতের কাজের বাজার এখন স্থিতিশীল। পুরুষ এবং মহিলা, দু’ক্ষেত্রেই কর্মহীনের সংখ্যা কমেছে। কর্মসংস্থানের পরিস্থিতি ধাপে ধাপে উন্নত হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে শহরে সামান্য হলেও কমেছে জনসংখ্যার নিরিখে পুরুষ কর্মী এবং কাজে তাঁদের অংশগ্রহণের হার।
রিপোর্টে দাবি
কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নভেম্বরের থেকে ডিসেম্বরে সামান্য হলেও বেড়েছে দেশের বেকারত্ব। তার হার ৪.৭% থেকে বেড়ে হয়েছে ৪.৮%।
অল্প বেড়েছে শহরে কর্মহীন মানুষের হারও। তবে গ্রামে কমেছে।
টিমলিজ় এডটেক-এর রিপোর্ট বলছে, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির ৭৫ শতাংশই শিল্পের চাহিদা পূরণ করতে পারছে না।
মাত্র ৮.৬% প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যক্রম শিল্পের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। ১৬.৯% আংশিক সঙ্গতিপূর্ণ।
টিমলিজ়ের রিপোর্ট তৈরি হয়েছে সরকারি, বেসরকারি মিলিয়ে ১০৭১টি প্রতিষ্ঠানের তথ্যের ভিত্তিতে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)