২৪ বছর আগে একসঙ্গে আমরা কাজ করেছি। অনন্যাদি আমার মা-ই। কত কত স্মৃতি। ১৬ জানুয়ারি অনন্যাদির জন্মদিনে পুরনো দিনের কত কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। তখন তো আমি স্কুলে পড়ি। অনেক দৃশ্যই তো থাকত আমাদের একসঙ্গে। অনন্যাদি নিজে আমাকে ডেকে সব দৃশ্যের রিহার্সাল করত। প্রচুর মজা করেছি। তখন থেকেই অনন্যাদি আমার আর এক মা। সেটে তো মা বলেই ডাকতাম। এখনও দেখা হলে মা বলেই সম্বোধন করি। সেই পুরনো আদর পাই।দুঃখের বিষয় এর পরে আর সে ভাবে আমাদের কাজ করা হল না। আমি চাই আরও কাজ করতে। মন থেকে বলছি। সেই সময় তো এত ক্যাফে ছিল না। মুঠোফোনের বাড়বাড়ন্ত ছিল না। আমরা সবাই শুটিংয়ের পরে একসঙ্গে খুব পিকনিক করতে যেতাম।
আরও পড়ুন:
একটা ঘটনার কথা বলি। এমনই এক বার পিকনিক করতে গিয়েছি। আমার মা তখন শুটিংয়ে নিয়ে যেত। তাই পিকনিকে আমার মা-ও ছিল। এ বার কোনও একটা সময় আমি দূর থেকে মা বলে ডেকেছি কিছু একটা কারণে। তখন অনন্যাদি আর আমার মা দু’জনে একসঙ্গে সাড়া দিয়েছিল। সেই মুহূর্তটা এখনও ভুলব না। সে সময় দিদির বাড়ি থেকে যা খাবার আসত আমার জন্য থাকতই। অনন্যাদি আমাকে খাইয়েও দিত সেটে। অনেক সময় কিছু ভুল করলে শিখিয়ে দিত। ইশ্, সব মনে পড়ছে। আমি সত্যিই অনন্যাদির সঙ্গে কাজ করতে চাই আবার মন থেকে। অনন্যাদি সত্যিই অনন্য। আমি চাই আমার এই আর এক মা-ও যেন খুব ভাল থাকে। ২৪ বছর পরেও যে ভালবাসা আমাদের মধ্যে আছে, সেটা যেন অটুট থাকে।