চিনের সঙ্গে শুল্ক যুদ্ধ তো ছিলই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির ফলে এ বার সেই তালিকায় ঢুকতে চলেছে মেক্সিকো। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির জেরে কিছুটা ধাক্কা লাগতে শুরু হয়েছে মার্কিন অর্থনীতিতেও। বাড়তি শুল্কের বোঝা আদতে বাইতে হচ্ছে তাদেরও। 

অনেকের ব্যাখ্যা, অন্য দেশ থেকে আমেরিকার বাজারে আমদানি করা বিভিন্ন পণ্যের উপরে অতিরিক্ত শুল্ক বসানোর ফলে দাম বাড়ছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা মার্কিন ক্রেতাদের থেকেই উসুল করছে আমদানিকারীরা। সম্প্রতি মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকেও স্বীকার করা হয়েছে যে, বর্ধিত দামের কিছুটা বহন করতে হচ্ছে ক্রেতাদের। প্রভাব বেশি পড়ার সম্ভাবনা আনাজ, গাড়ি, বৈদ্যুতিন যন্ত্রাংশে। পাশাপাশি চিনে মার্কিন পণ্য পাঠাতে গিয়েও সমস্যায় পড়তে পারে রফতানিকারীরা। শুল্কের পাশাপাশি এ বার বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞাও জারি হতে পারে তাদের উপরে। এ নিয়ে ইঙ্গিতও দিয়েছে বেজিং। চিনা টেলি সংস্থা হুয়েইকে আমেরিকা কালো তালিকাভুক্ত করার ঘটনায় ইতিমধ্যেই রাশিয়াকে পাশে পেয়েছে চিন। 

এ দিকে, উদ্বাস্তু সমস্যা রুখতে সোমবার থেকে মেক্সিকোর পণ্যে শুল্ক চাপানো হবে বলে হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। দু’দেশের শীর্ষ মহলের মধ্যে কথা চলছে। কিন্তু তার মধ্যেই শুক্রবার ট্রাম্প জানিয়েছেন, আলোচনা ভাল এগোচ্ছে। শুল্ক এড়াতে মেক্সিকোর সঙ্গে চুক্তি হবে আশা। কিন্তু তা না-হলে মেক্সিকোর পণ্যে কর চাপাবেন তিনি।