Advertisement
E-Paper

Supreme Court: চুক্তি আটকে যাবে সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশ না-পেলে

আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে আদালত।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১৮ অগস্ট ২০২১ ০৬:৫৬
ফাইল চিত্র।

ফাইল চিত্র।

অ্যামাজ়নের আর্জির ভিত্তিতে গত ১৮ মার্চ রিলায়্যান্স রিটেলের কাছে ফিউচার রিটেলের ব্যবসা বিক্রির চুক্তি নিয়ে ফিউচার গোষ্ঠীকে এগোতে নিষেধ করেছিল দিল্লি হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। মঙ্গলবার আদালত জানাল, চার সপ্তাহের মধ্যে সেই রায়ের বিরুদ্ধে কিশোর বিয়ানির সংস্থাটি সুপ্রিম কোর্টের কোনও স্থগিতাদেশ না-পেলে তা কার্যকর করার পথে হাঁটবে তারা।

২৪,৭১৩ কোটি টাকার এই চুক্তিতে আপত্তি জানিয়ে গত অক্টোবরে সিঙ্গাপুরের সালিশি আদালতে গিয়েছিল ফিউচার গোষ্ঠীর শাখা সংস্থা ফিউচার কুপন্সের অন্যতম অংশীদার অ্যামাজ়ন। তাদের দাবি ছিল, এই চুক্তি করে অ্যামাজ়নের সঙ্গে জোটের শর্ত ভেঙেছে ফিউচার। সেই মামলায় হারে কিশোর বিয়ানির সংস্থাটি। তার পরেই সেই রায় ভারতে কার্যকর করতে আবেদন করে আমেরিকার ই-কমার্স সংস্থা অ্যামাজ়ন।

উল্টো দিকে, অ্যামাজ়নের আর্জির বিরূদ্ধে আদালতে যায় ফিউচারও। সেখানে হারে তারা। মার্চে দিল্লি হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ জানায়, অ্যামাজ়নের আর্জি বৈধ। চুক্তি কার্যকর করতে পারবে না রিলায়্যান্স এবং ফিউচার। ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয় ফিউচার গোষ্ঠীকে। দেওয়া হয় কিশোর বিয়ানি ও অন্যান্যদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ। বিচারপতি জে আর মিধার পর্যবেক্ষণ ছিল, ফিউচার গোষ্ঠী ইচ্ছাকৃত ভাবে সিঙ্গাপুর সালিশের নির্দেশ লঙ্ঘন করেছে।

এই রায়ের বিরুদ্ধে হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে ফিউচার জিতলেও, মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। সেখানে রায় গিয়েছে অ্যামাজ়নের পক্ষেই। গত ৬ অগস্ট শীর্ষ আদালত বলেছে, সিঙ্গাপুরের সালিশি আদালতের রায় ভারতেও বৈধ। ফলে এ দেশের আইনেও কার্যকর হয়। তারা দিল্লি হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের সঙ্গে সহমত। ফলে আইনত চুক্তি নিয়ে এগোনো যাবে না।

আজ হাই কোর্টের বিচারপতি সুরেশ কুমার কেইট জানান, হয় ১৮ মার্চের রায়ে ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে স্থগিতাদেশ আনতে হবে ফিউচারকে। না-হলে নির্দেশ কার্যকর করা ছাড়া কোনও উপায় থাকবে না। ফিউচারের আইনজীবীরা জানান, সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিল করা হয়েছে। আর্জি জানানো হয়েছে সালিশি আদালতেও। ফের সুপ্রিম কোর্টেও আবেদন করা হবে। অ্যামাজ়নের আইনজীবীর পাল্টা বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে মার্চের নির্দেশ আইনত বৈধ এবং তা কার্যকর করতে হবে। এর পরেই বিচারপতি তাঁদের স্পষ্ট জানিয়ে দেন, শুধু স্পেশাল লিভ পিটিশন দাখিল করলেই চলবে না। রায়ে স্থগিতাদেশ জরুরি। না-হলে নির্দেশ কার্যকর করা হবে। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে আদালত।

Supreme Court
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy