আট মাসে এই প্রথম ৬০ টাকার নীচে নামল ডলারের দর। শুক্রবার আগের দিনের থেকে ৪০ পয়সা কমে তার দাম দাঁড়াল ৫৯.৯১ টাকা। ২০১৩ সালের ২৯ জুলাইয়ের পর এই প্রথম লেনদেন শেষে ৬০-এর নীচে দৌড় শেষ করল ডলার।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মুহূর্তে শেয়ার বাজার চড়ছে মূলত বিদেশি আর্থিক সংস্থাগুলির লগ্নিতে ভর করে। বৃহস্পতিবারই তারা ঢেলেছে ৩৭.৫৪ কোটি ডলার। এর দৌলতে ডলারের জোগান বাড়ছে। ফলে তার তুলনায় দাম চড়ছে টাকার। আর এই কারণেই সূচকের সঙ্গে সঙ্গে টাকাও এখন ঊর্ধ্বমুখী। অবশ্য মুদ্রা লেনদেন বাজারের ধারণা, ডলারের সাপেক্ষে টাকা যাতে অতি দ্রুত না-বাড়ে, তা নিশ্চিত করতে গত কয়েক দিনের মতো শুক্রবারও ডলার কিনেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।
রেকর্ড গড়েই চলেছে সেনসেক্স। দৌড় অব্যাহত। ফের নয়া রেকর্ড সেনসেক্সের। শুক্রবার ১২৫.৬০ পয়েন্ট বেড়ে তা থিতু হল ২২,৩৩৯.৯৭ অঙ্কে। বিদেশি আর্থিক সংস্থাগুলির লগ্নির পাশাপাশি এতে ইন্ধন জুগিয়েছে ব্যাঙ্কগুলিতে ‘বাসেল-থ্রি’ নীতি প্রণয়নের সময়সীমা পিছোনো। অনেকের আশঙ্কা, কেন্দ্রে স্থায়ী সরকার না-এলে দ্রুত লগ্নি ফেরাবে বিদেশি আর্থিক সংস্থাগুলি। সে ক্ষেত্রে বাজার ও টাকার দর দুই-ই দ্রুত পড়ার সম্ভাবনা।