গুজরাতে সুজুকির কারখানা গড়া নিয়ে ফের জট
সংবাদ সংস্থা • নয়াদিল্লি
গুজরাতে মারুতির বদলে সুজুকির কারখানা নির্মাণের পরিকল্পনা এখনও কাঁটামুক্ত নয়। শেয়ারহোল্ডারদের উপদেষ্টা কিছু সংস্থা (প্রক্সি শেয়ারহোল্ডার অ্যাডভাইজরি ফার্ম) বলেছে, মারুতির এই বিকল্প প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দিতে ছোট শেয়ারহোল্ডারদের আর্জি জানাবে তারা। গুজরাতে মারুতির নয়া প্রকল্প মারুতি নয়, মূল সংস্থা সুজুকি-ই গড়বে বলে জানিয়েছিল মারুতি। সে ক্ষেত্রে মারুতি শুধু সেই কারখানার গাড়ি বিপণনে যুক্ত থাকলে সংস্থার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে বলে দাবি করে বিমা ও মিউচুয়াল ফান্ডের মতো সংস্থায় লগ্নিকারী বিভিন্ন আর্থিক সংস্থা। তারা প্রস্তাবের বিরোধিতা করবে বলেও জানায়। পাশাপাশি, আইনে না-থাকলেও তারা ছোট শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নেবে। কিন্তু উপদেষ্টা সংস্থা ইনগভর্ন রিসার্চ সার্ভিসেস-এর প্রতিষ্ঠাতা শ্রীরাম সুব্রহ্মনিয়াম জানান, তাঁরা এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দিতে বলবেন ছোট শেয়ারহোল্ডারদের। কারণ, এই প্রস্তাব অনিশ্চয়তা তৈরি করবে। আর এক সংস্থা টিআইএএসের বক্তব্য, প্রস্তাবটি অহেতুক জটিলতা তৈরি করছে।
চিনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ
সংবাদ সংস্থা • বেজিং
চিনের সঙ্গে বাণিজ্যে ক্রমেই বাড়তে থাকা ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ জানাল ভারত। যোজনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান মন্টেক সিংহ অহলুওয়ালিয়া আজ এখানে দু’দেশের অর্থনৈতিক কৌশল সংক্রান্ত আলোচনায় বলেছেন, এই ঘাটতি পরপর তিন বছর যাবৎ বার্ষিক ৩৫০০ কোটি ডলার (২ লক্ষ ১০ হাজর কোটি টাকা) ছাড়িয়ে গিয়েছে। যা চলতে দেওয়া যায় না। এই পরিপ্রেক্ষিতে চিনের কাছে আরও বেশি করে ভারতীয় পণ্য আমদানির আর্জি জানিয়েছেন মন্টেক। পাশাপাশি, চিন যে-সমস্ত পণ্য ভারতে রফতানি করছে, সেগুলির জন্য ভারতেই উৎপাদন কেন্দ্র গড়ার প্রস্তাব দিয়েছেন মন্টেক। এ ছাড়া ভারতে রেল-লাইন আধুনিকীকরণের ব্যাপারে ভারতকে সহযোগিতায় রাজি হয়েছে চিন। চালু ট্রেনের গতি বাড়ানো, দ্রুতগতির ট্রেন চালু করা, স্টেশনের উন্নতি ইত্যাদি ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহায়তর সুযোগ রয়েছে বলে বৈঠক শেষে প্রকাশিত যৌথ প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।
বাড়ল পূর্ব-রেলের পণ্য পরিবহণ
ফেব্রুয়ারিতে পণ্য পরিবহণের পরিমাণ তার আগের বছরের একই মাসের তুলনায় অনেকটাই বাড়াল পূর্ব-রেল। তারা জানিয়েছে, এই সময়ে পণ্য পরিবহণ ১১.০৫% বেড়ে হয়েছে ৫৪.৯ লক্ষ টন। এর হাত ধরে এই খাতে আয়ও বেড়েছে ৩৬.৫৬%। দাঁড়িয়েছে ৪৫৫.২২ কোটি টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেকটাই বেশি। অন্য দিকে, এই অর্থবর্ষের এপ্রিল থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫.৫৮ কোটি টন পণ্য পরিবহণ করেছে পূর্ব রেল। যা থেকে আয় হয়েছে ৩,৮২৫.২০ কোটি টাকা।
ব্যবসা সম্প্রসারণে
কলকাতার তারাতলায় পরিষেবা কেন্দ্র খুলল গ্যাস কম্প্রেসর প্রস্তুতকারক বার্কহার্ড কম্প্রেশন (ইন্ডিয়া)। ভারতে ভদোদরার পর এটি তাদের দ্বিতীয় পরিষেবা কেন্দ্র, দাবি সুইৎজারল্যান্ডের বার্কহার্ড কম্প্রেশন-এর এই শাখা সংস্থার। পুণেতে সংস্থার একটি কারখানাও আছে। কলকাতার এই কেন্দ্রটির মাধ্যমে পূর্ব ভারতে শোধনাগার, পেট্রোকেমিক্যালস ও বাণিজ্যিক গাস উৎপাদক সংস্থাগুলিকে কম্প্রেসর সরবরাহ করাই তাদের লক্ষ্য।