অবিকল পুরনো গাড়ির নামেই নতুন কোনও গাড়ি বাজারে আনার নজির নেই মারুতি-সুজুকির। এ বার কৌশল বদল। পুরনো ‘ব্যালেনো’র নামেই এ বার নতুন ছোট গাড়ি (হ্যাচব্যাক) আনতে চলেছে দেশের বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতাটি।
বরাবরই কম দামি ছোট গাড়ির বাজারে তাদের দাপট। নতুন গাড়ির মাধ্যমে সেই ভাবমূর্তি বদলাতেও তৎপর সংস্থা। আগামী সোমবার দেশের বাজারে আসবে ব্যালোনো গাড়িটি। ভারত ছাড়াও সেটি বিক্রি করা হবে ১০০টি দেশে।
১৯৯৮-’৯৯ নাগাদ যে ব্যালেনো গাড়িটি ভারতে এনেছিল মারুতি-সুজুকি, সেটি ছিল সেডান। কিন্তু তখন দামি সেডানের বাজারে আশাপ্রদ গুরুত্ব পায়নি সংস্থাটি। বরং তারপরও ছোট গাড়ি নির্মাতার তকমাই সেঁটে ছিল তাদের গায়ে। ২০০৭ সালে সেই ব্যালেনোর উৎপাদন বন্ধ করে দেয় তারা। তারপর থেকে দফায় দফায় দামি গাড়ি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালালেও, সাম্প্রতিক কালে পুরোদস্তুর নির্দিষ্ট বিপণন কৌশল নিয়ে দামি গাড়ির বাজার দখলে নেমেছে তারা। সেই সূত্রেই এস-ক্রস (সেডান)-এর পর এ বার আর একটি দামি হ্যাচব্যাক আনছে তারা। যার নাম থাকছে ব্যালেনোই। বিক্রি হবে দামি গাড়ির জন্য তাদের নির্দিষ্ট শো-রুম ‘নেক্সা’ থেকে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে খবর, নতুন ব্যালেনো পাল্লা নেবে হুন্ডাইয়ের ‘এলিট আই ২০’, হোন্ডার ‘জ্যাজ’ ও ফোক্সভাগেনের ‘পোলো’র সঙ্গে। বড় ও দামি গাড়ির বাজারে সে ভাবে এত দিন জায়গা করতে না পারলেও, প্রথম দামি ছোট গাড়ি ‘সুইফট’ এনেছিল মারুতিই।
ফ্রাঙ্কফুর্টের মোটর শোয়ে আবরণ উন্মোচন হয় নতুন ব্যালেনোর। তৈরির সময় ‘কোড-নেম’ ছিল ‘ওয়াই আর এ’। সুইফটের চেয়ে ওজন ১০০ কেজি কম। ১.২ লিটারের পেট্রোল ও ১.৩ লিটারের ডিজেল ইঞ্জিনে মিলবে এটি। থাকবে স্বয়ংক্রিয় ‘সিভিটি’ প্রযুক্তিও।