বাগডোগরা বিমানবন্দরে পরিকাঠামো উন্নয়নে জমি-জট বাধা বহু দিনই। সেই সমস্যার কথা এ বার অর্থ ও শিল্পমন্ত্রী অমিত মিত্রের সঙ্গে আলোচনায় তুলে ধরার প্রতিশ্রুতি দিল বেঙ্গল চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। বণিকসভার প্রেসিডেন্ট অম্বরীশ দাশগুপ্ত বলেন, ‘‘সমস্যাটি নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব। উত্তরবঙ্গের শিল্প বাণিজ্যের সমস্যা জানতে সমীক্ষাও করা হবে।’’
শিলিগুড়িতে অফিস খুলে এ সপ্তাহ থেকে কাজ শুরু করেছে বণিকসভাটি। বৃহস্পতিবার সেই উপলক্ষে আয়োজিত সভায় বাগডোগরা বিমানবন্দরের অধিকর্তা রাকেশ সহায় জানান, সেখানে বিমানের সংখ্যা, পণ্য মজুতের ক্ষমতা ইত্যাদি বাড়ানো জমির অভাবে থমকে। তার পরই বণিকসভার ওই আশ্বাস।
কর্তৃপক্ষের দাবি, বাগডোগরায় রাতে বিমান ওঠা-নামার জন্য রানওয়ের পাশে আলো লাগাতে জরুরি ১২ একর। কিন্তু অন্তত দশ বছর তা পাওয়া থমকে রয়েছে। সম্প্রতি রাজ্যের তরফে দ্রুত জমি অধিগ্রহণ করে তা দেওয়ার আশ্বাস মিলেছিল। কিন্তু জমি হাতে আসেনি। দার্জিলিং জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, পাঁচটি পরিবার ক্ষতিপূরণ নিতে বেঁকে বসায় অধিগ্রহণ শেষ করা যাচ্ছে না।