Advertisement
E-Paper

শাপুরজিদের দ্বিতীয় আবাসন হাওড়ায়

দেশের অন্যান্য রাজ্যের মতোই পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের শহরে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের পরিকাঠামো তৈরি করা লাভজনক নয়। কারণ ছোট শহরে দক্ষ মানবসম্পদ পাওয়া ও ধরে রাখা কঠিন কাজ। বরং বড় শহরের লাগোয়া ছোট শহরে আবাসন প্রকল্প তৈরি করে লাভের মুখ দেখা সহজ বলে মনে করছে নির্মাণ শিল্পমহল।

গার্গী গুহঠাকুরতা

শেষ আপডেট: ০৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৩:৫০

দেশের অন্যান্য রাজ্যের মতোই পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের শহরে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের পরিকাঠামো তৈরি করা লাভজনক নয়। কারণ ছোট শহরে দক্ষ মানবসম্পদ পাওয়া ও ধরে রাখা কঠিন কাজ। বরং বড় শহরের লাগোয়া ছোট শহরে আবাসন প্রকল্প তৈরি করে লাভের মুখ দেখা সহজ বলে মনে করছে নির্মাণ শিল্পমহল।

আর সেই যুক্তিতেই এ বার রাজারহাটের পরে ‌হাওড়ায় মধ্যবিত্তদের জন্য আবাসন প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে দেড়শো বছরের পুরনো সংস্থা শাপুরজি পালোনজি। সংস্থার অন্যতম কর্তা সাইরাস ইঞ্জিনিয়ার জানান, হাওড়ার সলপে ৩০ একর জমিতে তৈরি হবে ৩০ লক্ষ বর্গ ফুট জায়গা। এক কামরা, দু’কামরা ও তিন কামরার ফ্ল্যাট হবে। থাকবে ক্লাব, জিম, ছোট প্রেক্ষাগৃহ ও দোকানপাটের সুবিধাও।
মোট বিনিয়োগের পরিমাণ এখনও ঠিক হয়নি বলে জানান তিনি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, বর্গ ফুট প্রতি দাম ধরা হবে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা।

এ রাজ্যে ২০ হাজার ফ্ল্যাটের আবাসন প্রকল্প নিয়ে প্রথম পা রাখে একক ভাবে টাটা সন্সের সবচেয়ে বেশি শেয়ার যাঁর হাতে, সেই পালোনজি মিস্ত্রির সংস্থা শাপুরজি পালোনজি। মূলত নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তদের জন্য এই আবাসন প্রকল্প গড়ার শর্তে বিগত বামফ্রন্ট সরকারের আমলে রাজারহাটে জমি পায় তারা। ১৫০ একর জমির উপরে এই আবাসন প্রকল্পে ৯ হাজার ফ্ল্যাট ইতিমধ্যেই তৈরি করেছে সংস্থা। প্রায় ৩০০০ কোটি টাকার এই প্রকল্প আবাসন শিল্পের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ ও সংস্থা, দু’পক্ষেরই ‘শো-কেস’ প্রকল্প।

সংস্থার দাবি, ছ’টি শহর জুড়ে সমীক্ষা চালিয়েছে তারা। আর তার থেকেই উঠে এসেছে মধ্যবিত্তদের ফ্ল্যাটের চাহিদার ছবি। তাই সেই চাহিদা পূরণের উপায়ও স্থির করেছেন তাঁরা। ইঞ্জিনিয়ার জানান, ২০ লক্ষ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা দামের ফ্ল্যাটের চাহিদাই সবচেয়ে বেশি। আর এই বাজার ধরতেই ‘ইজি ওন হোম’ বা সহজে নিজের বাড়ির মালিক হওয়ার সুযোগ এনে দিতে চায় শাপুরজিরা। নতুন কৌশল কার্যকর করতে হাওড়ার প্রকল্প ‘মডেল’ হিসেবে ধরে দেশের বিভিন্ন শহরে এগোবে সংস্থা। পুণে ও মুম্বইতেও তৈরি হবে এ রকম প্রকল্প।

শাপুরজি পালোনজির দাবি, আগামী ২০১৯ সালের মাঝামাঝি হাওড়ার প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ হয়ে যাবে। তৈরি হবে ১২০০ ফ্ল্যাট। মধ্যবিত্তদের ফ্ল্যাট কেনার প্রক্রিয়া সহজ করতে ইন্টারনেট বাজারেও নিজেদের উপস্থিতি জোরালো করতে চায় সংস্থা।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy