বাজপেয়ীর পথ ধরেই কি যাত্রা শুরু নমিতার?

প্রয়াত অটলবিহারী বাজপেয়ীর কন্যা নমিতা কি এ বার লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন? রাজধানীতে গুঞ্জন, বিজেপির একাংশ মনে করছেন বাজপেয়ীর মৃত্যুর পর তাঁর কন্যাকে টিকিট দেওয়ার সিদ্ধান্ত আমজনতার মনে ভাল প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু কোন কেন্দ্র থেকে? বাজপেয়ীর জন্মস্থান আগরার বটেশ্বর। তা হলে আগরা থেকেই টিকিট মিলবে? বাজপেয়ী ১২ বার সাংসদ হন। ১০ বার লোকসভা থেকে। লোকসভা আসন ছিল বলরামপুর, দিল্লি, গ্বালিয়র, লখনউ। তবে ১৯৮৪ সালে গ্বালিয়রে মাধবরাও সিন্ধিয়ার কাছে পরাস্ত হয়েছিলেন। ২০১৯ এগিয়ে আসছে। প্রশ্ন, নমিতা কি রাজনীতির জন্য প্রস্তুত?

 পরম্পরা: অটলবিহারী বাজপেয়ী ও তাঁর কন্যা নমিতা 

ডিজিটাল বিজয়ন

কেরলের বন্যা পরিস্থিতি দারুণ ভাবে সামলেছেন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তার পরেই তিনি সস্ত্রীক আমেরিকায় গিয়েছেন স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য। বিমানে মার্কিন মুলুক পাড়ি দেওয়ার সময় নিজের বিবাহবার্ষিকীও পালন করেছেন কমিউনিস্ট নেতা। তার পর এখন কী করছেন জানেন? ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় হাসপাতাল থেকেই প্রয়োজনীয় ফাইল সই করে পাঠাচ্ছেন। কিছু দিন আগে এই একই কাজ করেছিলেন অরুণ জেটলি। কিছু কিছু ব্যাপারে কমিউনিস্টরাও তবে বিজেপিকে অনুসরণ করে বটে!

 

আম্মার আত্মা

তামিলনাড়ুর আনুগত্যের রাজনীতি সত্যিই তুলনাহীন। জয়ললিতার বশংবদ উদয়কুমার এখন রাজ্যের রাজস্বমন্ত্রী। একদা তিনি আম্মার পায়ের জুতো পালিশ করেছিলেন। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী পলানিস্বামীর কাছেও তিনি একই রকম জো হুজুর। ঘোষণা করেছেন, তাঁর জুতোও তিনি পালিশ করতে রাজি। রাজস্বমন্ত্রীর বক্তব্য, আম্মার আত্মা এখন পলানিস্বামীর শরীরে ঢুকে গিয়েছে বলেই না তিনি এত কাজ করতে পারছেন! ভাবা যায়!

 

এফআইআর যাত্রা

রথযাত্রা, পদযাত্রা, সাইকেল যাত্রা— রাজনীতিতে ‘যাত্রা’-র কমতি নেই। তা বলে এফআইআর যাত্রা! অমর সিংহের নতুন চমক। দিল্লি থেকে মহাসপ্তমীর দিন তিনি যাত্রা করবেন লখনউয়ের উদ্দেশে। ফিরোজ়াবাদ, মইনপুরি, কনৌজের মতো সমাজবাদী পার্টির জেতা লোকসভা কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে গিয়ে লখনউ পৌঁছে এফআইআর দায়ের করবেন সমাজবাদী পার্টির নেতা আজম খানের বিরুদ্ধে। অখিলেশ যাদবের কোপে পড়ে অমর এখন সমাজবাদী পার্টি থেকে বহিষ্কৃত। অখিলেশ তাঁকে বিজেপির দালাল পর্যন্ত বলেছেন। তাৎপর্যপূর্ণ: অমরের এফআইআর-যাত্রায় সঙ্গী ‘যুব হিন্দু বাহিনী ভারত’ নামে একটি সংগঠন।

 

গোপন কথাটি

কথা: অরবিন্দ সুব্রহ্মণ্যন-অরুণ জেটলি 

নিন্দুকে বলে, নরেন্দ্র মোদী তাঁর সব চেয়ে বড় অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নোট বাতিলের ঘোষণার আগে সরকারের মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টার সঙ্গেই আলোচনা করেননি। অরবিন্দ সুব্রহ্মণ্যনও নোট বাতিল নিয়ে বরাবর নীরব ছিলেন। মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টার পদ থেকে বিদায় নেওয়ার পর তিনি মুখ খোলেন কি না, তা নিয়ে এ বার সাসপেন্স চরমে। ‘অব কাউন্সেল: দ্য চ্যালেঞ্জেস অব দ্য মোদী-জেটলি ইকনমি’ নামে অরবিন্দের নতুন বই প্রকাশিত হচ্ছে। কেবল আগে লেখা প্রবন্ধগুলিরই সঙ্কলন, না কি তার সঙ্গে বইয়ে নোট বাতিল নিয়ে নতুন লেখা অধ্যায়ও থাকছে, তা নিয়ে নর্থ ব্লকের অর্থ মন্ত্রকে জোর জল্পনা। অরবিন্দ নিজে টুইট করে ইঙ্গিত দিয়েছেন, উপদেষ্টার পদ ছাড়ার পরের কিছু লেখাও থাকছে এই বইতে। বইয়ের প্রচ্ছদে অরুণ জেটলির কানে কানে কিছু বলছেন তিনি। নোট বাতিল নিয়ে গোপন কথাটি গোপনেই রবে!

 

 

মেটালেন তিনি

মহামান্য বিচারপতিরাও যে নিজস্বীতে মজেছেন, জানা গেল সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের বিদায়বেলায়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে চা-আড্ডা শেষে সকলের নিজস্বীর আবদার তিনি মেটালেন। ও দিকে নতুন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ-এর সঙ্গে নিজস্বী তুলতে ব্যস্ত বিচারপতি কুরিয়ান জোসেফ। দু’জনের মাঝখানে বসে আর এক প্রবীণ বিচারপতি মদন বি লোকুর। অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে জিজ্ঞাসা করা হল, এ বার কী করবেন? সূক্ষ্ম রসবোধ মেশানো উত্তর: জ্যোতিষবিদ্যার প্রশ্ন না করাই ভাল!