Advertisement
E-Paper

সম্পাদক সমীপেষু

শ্রুতিনাটকের ক্ষেত্রে আকাশবাণীর বিরাট অবদান। আকাশবাণী এফ এম রেনবো প্রচার তরঙ্গে প্রতি দিন দুপুর ২টো বেজে ২ মিনিটে এবং এফ এম গোল্ডে প্রতি শনি ও রবিবার বেলা ১টা বেজে ১০ মিনিটে সম্প্রচারিত হয় শ্রুতিনাটক।

শেষ আপডেট: ২৮ অক্টোবর ২০১৭ ০০:০০

রেডিয়োয় শ্রুতিনাটক

বর্তমানে বাঙালির নাটক দেখা বা শোনার প্রতি আগ্রহটা খানিক কমেছে। মেগা সিরিয়ালের চাপে তার সন্ধেগুলো আটকে আছে। শাশুড়ি-বউমার কূটকচালিতে বিরক্ত অনেকেই। তাই স্বাদ বদল করতে শুনতে পারেন শ্রুতিনাটক।

প্রসঙ্গত, শ্রুতিনাটকের ক্ষেত্রে আকাশবাণীর বিরাট অবদান। আকাশবাণী এফ এম রেনবো প্রচার তরঙ্গে প্রতি দিন দুপুর ২টো বেজে ২ মিনিটে এবং এফ এম গোল্ডে প্রতি শনি ও রবিবার বেলা ১টা বেজে ১০ মিনিটে সম্প্রচারিত হয় শ্রুতিনাটক। আকাশবাণীর শ্রুতিনাটককে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে দিয়েছেন শম্ভু মিত্র, তৃপ্তি মিত্র, জগন্নাথ বসু ও ঊর্মিমালা বসু (ছবিতে), ঋতা দত্ত চক্রবর্তী-সহ আরও অনেক শিল্পী।

নিয়মিত শ্রুতিনাটক শোনার অভ্যেস গড়ে তুললে নাটক শোনার প্রতি একটা আগ্রহ জন্মাবে। বাংলা নাট্যসংস্কৃতির ক্ষেত্রে সেটা ইতিবাচক অবশ্যই।

সায়ন তালুকদার কলকাতা-৯০

সংকীর্ণ সেতু

৬০ নম্বর জাতীয় সড়কটি বালেশ্বর থেকে শুরু হয়ে এ রাজ্যের খড়্গপুর, মেদিনীপুর, গড়বেতা, বিষ্ণুপুর, বাঁকুড়া, রানিগঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহর দিয়ে গেছে। কিন্তু মেদিনীপুর, গড়বেতার মাঝে অনেক সংকীর্ণ সেতু এখনও প্রশস্ত হয়নি। সবচেয়ে আতঙ্কের, গড়বেতা শহরের উপর সংকীর্ণ রাস্তা দিয়ে বিশাল বিশাল ট্রাক দৌড়চ্ছে প্রতিনিয়ত। পথচারীরা ভুগছেন আতঙ্কে। রাজ্য সরকার দেখুন বিষয়টি নিয়ে।

সুদর্শন নন্দী রাঙামাটি, মেদিনীপুর শহর

অসভ্য আমোদ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউটা রাজ্যের রাজধানী সল্টলেক সিটি। ৪ জুলাই শহরের শুগার হাউস পার্কের খোলা ময়দানে সারা দিন নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপিত হচ্ছে। সন্ধের পরে রংবেরঙের আতসবাজির মনকাড়া প্রদর্শনী। শহরবাসী রাস্তার পাশে বসে অথবা নিজেদের বাড়ি থেকে সেই অপরূপ আলোর খেলা উপভোগ করছে।

না, পিলে-চমকানো, হৃদ্গতি-স্তব্ধ-করা শব্দবাজি নেই। বাজির খেলা ওই মাঠেই সীমাবদ্ধ। তার বাইরে পাড়ায়-পাড়ায়, পথেঘাটে ছড়িয়ে যায়নি। দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এল নিজের দেশের, শহরের কথা ভেবে। আদালতের আদেশে হলেও দিল্লি, মুম্বই, পঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড় যে সদর্থক উদ্যোগ নিয়েছে, তা প্রশংসনীয়। অথচ রাজ্যের ভোটসংবেদী রাজনীতি এই ব্যাপারে নির্বিকার (‘এতটুকুও নড়ল না কলকাতা’, ১৪-১০)। পরিবেশ দফতরের নানা নির্বিষ হুকুমনামা যে মানা হয় না, তা দফতর বাদে আর সবাই জানে। শীর্ষ আদালতের আদেশের মধ্যে অনেকে ‘হিন্দু বিরোধী’ গন্ধ পাচ্ছেন, কেউ কেউ আবার মানুষের ‘ভাবাবেগ’ নিয়ে চিন্তিত। মধ্য উনিশ শতকের ‘Every Day Life And Every Day’র অসামান্য দলিল ‘হুতোম প্যাঁচার নক্শা’তে ‘বারোইয়ারি’ পুজোর বেলেল্লাপনা দেখে হুতোমের আক্ষেপ: ‘বাঙ্গালীরা আজো এমন কুৎসিত আমোদে মত্ত হন ব’লেই যেন- চাঁদ ভদ্রসমাজে মুখ দেখাতে লজ্জিত হলেন।’

একুশ শতকের দ্বিতীয় দশকে এই ‘কুৎসিত আমোদ’ যেখানে পৌঁছেছে, সেটা দেখে হুতোম কী বলতেন? সভ্য জীবনযাপনের কিছু ন্যূনতম শর্ত আছে। সেটা বুঝতে আমাদের আর কত দিন লাগবে?

সৈকত রুদ্র কলকাতা-১১০

বড় গাছ কই

ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর জন্য গড়িয়া থেকে রুবি হয়ে সায়েন্স সিটি— এই বিস্তীর্ণ পথে ইস্টার্ন বাইপাসের ধারের কয়েকশো বড় গাছ কাটা যায়। কয়েক বছর পর বাঁশের বেড়া দিয়ে কিছু পাম, বাগান ঝাউ, পাতাবাহার লাগানো হল। কিন্তু বর্ষার পরও দেখতে পাচ্ছি, রাস্তার ধারের ওই কয়েকশো বড় গাছের অবর্তমানে কোনও বড় গাছই লাগানো হয়নি।

আমরা জানি, কার্বন-ডাই-অক্সাইড আবহাওয়ার পরিবর্তনের জন্য দায়ী। গাছ এই কার্বন-ডাই-অক্সাইড থেকে কার্বন শোষণ করে অক্সিজেন ত্যাগ করে। গাছ বাতাসে ভাসমান বিষাক্ত গ্যাস, যেমন— নাইট্রোজেন অক্সাইড, অ্যামোনিয়া, সালফার-ডাই-অক্সাইড ও ওজোন শোষণ করে। এক বছরে একটি পূর্ণাঙ্গ গাছ অন্তত ২০ জন মানুষের অক্সিজেনের পূর্ণ জোগান দেয়।

গাছ রাস্তা ও শহর ঠান্ডা রাখে। তা ছাড়া গাছ ক্ষতিকর আলট্রা ভায়োলেট রশ্মির পরিমাণ অনেকখানি কমাতে সাহায্য করে। আর যখন মেট্রো চালু হবে, তখন বড় গাছ সেই শব্দদূষণও অনেকটাই রোধ করতে পারবে। তাই আমার অনুরোধ, অবিলম্বে এখানে শাল, সেগুন, আম, কাঁঠালের মতো বড় গাছ লাগানো হোক।

শর্মিলা কলকাতা-৭৮

বাস আছে, ট্রেন?

যুব বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার জন্য প্রচুর বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে দর্শকদের সুবিধা হয়েছে নিঃসন্দেহে। কিন্তু বিশ্বকাপের জন্য একটিও বিশেষ ট্রেন দেওয়া হয়নি। এতে রাতে খেলা দেখে আমাদের মতো মফস্সলের দর্শকদের বাড়ি ফিরতে ভীষণ অসুবিধা হচ্ছে। সে দিন ইংল্যান্ড-ইরাক খেলা দেখে বাসে ভাল ভাবে চড়ে বিধাননগর স্টেশনে এসে দেখি, ট্রেন সময়মত চলছে না। দীর্ঘ ক্ষণ অপেক্ষার পর যে ট্রেন এল, তাতে সুচ গলানোরও জো নেই। এ ভাবে দুটি ট্রেন ছাড়ার পর অনেক কষ্টে ট্রেনে চড়ে মাঝরাতে বাড়ি ফিরলাম। রেল কর্তৃপক্ষ কি এই দিনে, বিশেষত রাতের দিকে দু’তিনটি বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করতে পারে না?

শম্পা দেবনাথ ইছাপুর, উত্তর ২৪ পরগনা

সম্প্রীতির পুজো

দিনহাটা মহকুমার পুঁটিমারীতে রয়েছেন বুড়ি মাতা, যিনি বনদুর্গা নামেও পূজিত হন! দিনহাটা শহরের প্রবেশ মুখে বুড়িমার মন্দির। এর একটি প্রাচীন ইতিহাস আছে। কোচবিহার ছিল রাজার শহর। এই রাজ্যের তহসিলদাররা এক দিন খাজনা আদায়ের জন্য অবিভক্ত বাংলার রংপুরে যান। বিকেল গড়িয়ে গেলে তাঁরা কোচবিহারের উদ্দেশ্যে রওনা হন। কিন্তু পথে বিলম্ব হয় এবং তাঁরা অন্নদা নগরে রাত্রি যাপন করেন। রাতে বুড়িমা স্বপ্নে তাঁদের আদেশ দেন, বাড়ি ফিরে নিজ গ্রামে যেন তাঁরা বুড়িমার পুজো করেন।

তিন জন ফিরে এসে ভুলে যান সেই পুজোর কথা। সপ্তাহ পর আবার বুড়িমা স্বপ্নে আদেশ দেন। এ বার তাঁরা পুজোর উদ্যোগ নেন। ১৮৮৪ সালে পুজো শুরু হয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, হিন্দু-মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই এই পুজোয় অংশ নেন। আশ্বিনের সংক্রান্তিতে অনুষ্ঠিত হয় পুজো। বুড়িমা সিংহের উপর অধিষ্ঠিত। তাঁর এক হাতে শিশু, অন্য হাতে অভয় মুদ্রা। এই পুজোকে কেন্দ্র করে এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা বিরল।

শুভাশিস দাশ দিনহাটা, কোচবিহার

ভ্রম সংশোধন

‘গ্যারাজ না থাকলে’ শীর্ষক সংবাদে (২৫-১০, পৃ ৭) মিজোরামের রাজধানী আইজলকে ভুলবশত মেঘালয়ের রাজধানী লেখা হয়েছে।

‘অধীরের অভিযোগ’ শীর্ষক সংবাদে (২৬-১০, পৃ ৫) প্রকাশিত হয়েছে, কেভেন্টার মেট্রো ডেয়ারির ১৫ শতাংশ শেয়ার ১৭ কোটি টাকায় বিক্রি হয়েছে। টাকার অঙ্কটি হবে ১৭০ কোটি।

অনিচ্ছাকৃত এই ত্রুটিগুলির জন্য আমরা দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।

চিঠিপত্র পাঠানোর ঠিকানা

সম্পাদক সমীপেষু,

৬ প্রফুল্ল সরকার স্ট্রিট, কলকাতা-৭০০০০১।

ই-মেল: letters@abp.in

যোগাযোগের নম্বর থাকলে ভাল হয়

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy