গলদটা খুঁজে বার করা অত্যন্ত জরুরি। কিছুতেই রাশ টানা যাচ্ছে না এই জঘন্য অপরাধে। প্রশাসনে কি কোনও ত্রুটি থেকে যাচ্ছে? নাকি সামাজিক ভাবে আমরা ব্যর্থ হচ্ছি? প্রত্যেকটা ধর্ষণ আমাদের দাঁড় করাচ্ছে এই প্রশ্নের সামনে।

দিল্লিতে আবার গণধর্ষণ। নাচের অনুষ্ঠানের নাম করে হরিয়ানা থেকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল এক নৃত্যশিল্পীকে। কিন্তু কোনও অনুষ্ঠানে নয়, তিন যুবক তাঁকে তুলে নিয়ে যায় একটা বাড়িতে| সেখানেই ধর্ষণ করা হয়, অভিযোগ এমনই।

অভিযুক্তরা ছাড় পায়নি।নির্যাতিতার বয়ানের ভিত্তিতে তিন জনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।কিন্তু গ্রেফতার বা শাস্তি তো পরের বিষয়।তার চেয়ে অনেক বড় প্রশ্ন হল এই যে, ধর্ষণ রোখা যাচ্ছে না কেন?এই জঘন্য প্রবণতাকে ঘৃণা করতে শেখানো যাচ্ছে না কেন?

সম্পাদক অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা আপনার ইনবক্সে পেতে চান? সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

দিল্লি দখলের লড়াইলোকসভা নির্বাচন ২০১৯ 

নির্ভয়া কাণ্ডের মতো ভয়াবহ ঘটনা ঘটে গিয়েছে দিল্লিতে। সে ঘটনায় শিউরে উঠেছিল মানবতা। গোটা দিল্লি উত্তাল হয়ে গিয়েছিল। গোটা দেশ রাস্তায় নেমে পড়েছিল।তার পরে আরও কড়া হয়েছে আইন, ধর্ষণ রুখতে আরও কঠোর হয়েছে রাষ্ট্র। কিন্তু কোথায় থামানো গেল এই বীভৎসতা?রাশ টানা গেল কোথায়? দেশের অন্যান্য প্রান্তের কথা তো ছেড়েই দেওয়া যাক, সেই দিল্লিতেই ঘটে যাচ্ছে একের পর এক ঘটনা। এর চেয়ে লজ্জার আর কী হতে পারে!

শুধু প্রশাসন বা শুধু আইন বা শুধু শাস্তিতে কিছু হওয়ার নয়।সামাজিক ভাবেই মোকাবিলা করতে হবে এই গ্লানির। চেতনাটা জাগিয়ে তুলতে হবে ঘর ঘর থেকে।না হলে আমাদের মুক্তি নেই।

আরও পড়ুন: অনুষ্ঠানের নাম করে ডেকে এনে দিল্লিতে নৃত্যশিল্পীকে ধর্ষণ