ফল প্রকাশিত হল আইসিএসই এবং আইএসসি-র। প্রথম স্থানাধিকারীদের, অন্যান্য শীর্ষ স্থানাধিকারীদের এবং কৃতকার্যদের সকলকেই অভিনন্দন। বাকিদেরও শুভেচ্ছা ভবিষ্যতের জন্য। এই পরীক্ষার ফল প্রকাশ আসলে জীবনের একটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অতিক্রম করা। সেই ধাপটা পেরিয়ে যাঁরা হয়ে উঠতে চলেছেন দেশের ভবিষ্যত্, তাঁদের জন্য উপযুক্ত ভবিষ্যতের পথ প্রশস্ত করাই আশু কর্তব্য আমাদের।

যে প্রজন্ম দেশের হাল ধরতে চলেছে আগামীতে, এখন সে প্রজন্মের যত্ন নেওয়া এবং ভবিষ্যতে সে প্রজন্মকে স্থান করে দেওয়া আমাদেরই কর্তব্য। রাষ্ট্রের কিছু সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু বৃহত্তর অর্থে আমাদের সকলকে নিয়েই রাষ্ট্র। অতএব দায়িত্ব আমাদের সকলেরই।

প্রত্যেক বছরই এ ভাবে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলো পেরোচ্ছে এক ঝাঁক উজ্জ্বল মুখ, তরতাজা প্রাণ, সম্ভাবনার রামধনু। প্রতি বছরই আমরা অভিনন্দন জানাচ্ছি, শুভেচ্ছা বর্ষণ করছি। কিন্তু সম্ভাবনার ক্ষেত্রটা কতখানি প্রশস্ত করতে পারছি, তা নিয়ে সংশয় বিস্তর। সম্বাবনার ক্ষেত্র কিন্তু শুধু কর্মসংস্থানের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়। দশম বা দ্বাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণ হওয়ার পরে উচ্চশিক্ষা বিস্তীর্ণ ক্ষেত্রও পড়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে কতটা সুযোগ তৈরি করতে পারা যাচ্ছে, তার খেয়াল রাখা অত্যন্ত জরুরি। দশম এবং দ্বাদশ উত্তীর্ণরা কোন বিষয়ে পারদর্শী, কী নিয়ে উচ্চশিক্ষায় যেতে আগ্রহী বা উত্সাহী, তা বুঝে নেওয়া দরকার। যাঁরা যে রকম পড়তে চান, তাঁদের জন্য সে রকম সুযোগ তৈরি করতে পারা জরুরি। শিক্ষান্তে উপযুক্ত কর্মসংস্থানও জরুরি।

সম্পাদক অঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা আপনার ইনবক্সে পেতে চান? সাবস্ক্রাইব করতে ক্লিক করুন

কর্মসংস্থানের প্রশ্ন কিন্তু আমাদের সকলকে চিন্তায় রাখছে। বেকারত্বের হার যে মাত্রায় পৌঁছেছে গত সাড়ে চার দশকে তা সর্বোচ্চ। অতএব নতুন প্রজন্মের জন্য শুধু অভিনন্দন আর শুভেচ্ছার বার্তা যথেষ্ট নয়। মনে রাখতে হবে এই উঠতি প্রজন্মের ভবিষ্যত্ সুরক্ষিত রাখতে পারাই হল দেশের ভবিষ্যতকে সুরক্ষিত রাখা।     

দিল্লি দখলের লড়াইলোকসভা নির্বাচন ২০১৯ 

আরও পড়ুন: আইএসসি-তে ১০০ শতাংশ পেয়ে প্রথম কলকাতার দেবাঙ্গ অগ্রবাল