Advertisement
E-Paper

‘বিচারব্যবস্থার প্রতি আমাদের অগাধ শ্রদ্ধা’, পাঠ্যপুস্তকে আদালত অবমাননা বিতর্কে দুঃখপ্রকাশ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর

বৃহস্পতিবার আদালতে ডিভিশন বেঞ্চের তরফে গোটা ঘটনাটিকে ‘মারাত্মক অবমাননাকর’ এবং ‘বেপরোয়া’ বলে চিহ্নিত করা হয়। প্রধান বিচারপতি বলেন, “বন্দুক থেকে গুলি ছিটকে গিয়েছে এবং বিচারব্যবস্থা রক্তাক্ত।”

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:৪২
Dharmendra Pradhan

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ছবি: সংগৃহীত।

এনসিআরইটি-র পাঠ্যপুস্তক বিতর্কে এ বার মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ঘটনা নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করে যথাযথ পদক্ষেপের আশ্বাস দিলেন তিনি। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী এনসিআরইটি-র বই বিতর্ক নিয়ে গভীর দুঃখপ্রকাশ করেন। বলেন, ‘‘বিচারব্যবস্থার প্রতি আমাদের অগাধ শ্রদ্ধা এবং সম্মান রয়েছে। কোনও ভাবেই কোনও অসম্মান হোক, এমন অভিপ্রায় নেই আমাদের। এ বিষয়ে শীর্ষ আদালত যা নির্দেশ দিয়েছে, তা মেনেই পদক্ষেপ করা হবে।’’

উল্লেখ্য, এ দিন সকালেই বিচারবিভাগের প্রতি অবমাননার মামলায় অষ্টম শ্রেণির সমাজবিজ্ঞানের বইটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হয়েছে স্কুল শিক্ষা দফতর এবং এনসিইআরটি-র বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার আদালতে ডিভিশন বেঞ্চের তরফে গোটা ঘটনাটিকে ‘মারাত্মক অবমাননাকর’ এবং ‘বেপরোয়া’ বলে চিহ্নিত করা হয়। প্রধান বিচারপতি বলেন, “বন্দুক থেকে গুলি ছিটকে গিয়েছে এবং বিচারব্যবস্থা রক্তাক্ত।” স্কুল শিক্ষা দফতর এবং এনসিইআরটি-র অধিকর্তা দীনেশপ্রসাদ সাকলানির নামে নোটিস জারি করে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে না। গত বুধবার প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে এনসিইআরটি ক্ষমা প্রার্থনা করে। জানায়, এই ত্রুটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত এবং উল্লিখিত অধ্যায়ে অনুপযুক্ত বিষয়বস্তু যোগ করার বিষয়টিতে তারা ক্ষমাপ্রার্থী। কিন্তু ২৬ ফেব্রুয়ারি শুনানিতে এ বিষয়ে কড়া মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তিনি স্পষ্ট বলেন, “এই ক্ষমাপ্রার্থনা আদৌ আন্তরিক, না কি উদ্ভূত পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের কৌশল, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।”

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রধান বিচারপতি অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যক্রমে আদালত অবমাননার বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করেন। পাঠ্যপুস্তকে বিচারব্যবস্থাকে দুর্নীতিগ্রস্ত বলে দাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (এনসিইআরটি)-এর বিরুদ্ধে। বুধবারই অবশ্য জানানো হয়, সমাজে বিচারব্যবস্থার ভূমিকা সংক্রান্ত অধ্যায়টি সংশোধন করা হবে অষ্টম শ্রেণির পাঠ্য থেকে। বাদ দেওয়া হবে অবমাননাকর অংশগুলি।

NCERT Dharmendra Pradhan
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy